তীব্র শীতে গ্রামগঞ্জে মানুষ প্রায় কাবু হয়ে পড়েছে। শীতকালে এমনিতেই বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়, ফলে বায়ুম-ল ত্বক থেকে পানি শুষে নেয়। তাতে ত্বক, ঠোঁট ও পায়ের তালু ফেটে যায়। মানবদেহের
মানুষ যখন সুস্থ থাকেন, তখন তার হৃদযন্ত্র প্রতিমিনিটে ৫ থেকে ৬ লিটার রক্ত পুরো দেহে সঞ্চালন করে। আর এ রক্ত ধমনিগুলোর মাধ্যমে দেহের সব কোষের ভেতরে পৌঁছে যায় এবং অক্সিজেন
শীতকালে শরীরে ব্যথা হওয়ার কথা শোনা যায়। ঘাড়েও অনেকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে। কোনো কোনো সময় তীব্র ব্যথার সঙ্গে যুক্ত হয় হাতের আঙুলে ঝিনঝিন অনুভূতি। এমনটি হলে এটি সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস।
ক্যানসারের চিকিৎসা না করলে এটি একস্থান থেকে অন্যস্থানে ছড়িয়ে পড়ে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় ক্যানসার ছড়ানো প্রতিরোধে বেশ আশাপ্রদায়ক ফল পাওয়া গেছে। ইসরাইলি গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত ও ক্যানসার রিসার্চে প্রকাশিত গবেষণাটি
শীতে নানা উৎসবে খাওয়া-দাওয়া লেগেই থাকে। এ কারণে গ্যাস, বদহজমের সমস্যাও বাড়ে। আবার বেশিক্ষণ গরম পোশাক পরে থাকায় পেট গরমের মতো সমস্যাও দেখা দেয়। অনেকেই এ সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন।
হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা কম না বেশি, তা নির্ভর করে রক্তের গ্রুপের (ব্লাডগ্রুপ) ওপরে। এমনকি রক্তের গ্রুপ থেকে ভবিষ্যতের রোগ সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। গবেষণা বলছে, রক্তের গ্রুপ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁঁকির
দেশব্যাপী প্রথমবারের মতো পালিত হতে যাচ্ছে ‘টোটাল ফিটনেস ডে’। ২০২৩ সাল থেকে প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম শুক্রবার দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘সুস্থ দেহ প্রশান্ত মন কর্মব্যস্ত সুখী জীবন’
প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে প্রতি বছরই শীত আসে বাংলাদেশে। দিনকয়েক আগে দুয়ারে কড়া নাড়লেও এখন দেশেজুড়ে প্রচণ্ড প্রতাপে নেমে এসেছে শীত। জাঁকিয়ে শীত পড়তে শুরু করেছে সারা দেশে। ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে
কারও কারও স্বভাব শান্ত, কেউ আবার অল্পতে রেগে যান। রাগলে অনেকে এমন কিছু কাজ করে বসেন যার মাশুল গুণতে হয় সারা জীবন। তেমনি রাগ কিন্তু ডেকে আনে নানা শারীরিক বিপদও।
শীতকালে বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা বেড়ে যায় হুট করেই। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে উইন্টার ব্লুজ নামক মানসিক বিষণ্ণতাও দেখা দেয় অনেকের। তবে এই আবহাওয়ার বদলে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হন মাইগ্রেনের রোগীরা।