শারীরিক সম্পর্ক কতটা উপভোগ করবেন, তা নির্ভর করে কীসের উপর? কোন সঙ্গীর সঙ্গে যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছেন, তার উপর, না কি শরীর কতটা সুস্থ আছে, তার উপর? শারীরিক সম্পর্কের আগে কেমন
জীবনে একাধিকবার প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন প্রায় সকলে। কিছু সম্পর্ক বহু বছর টিকে যেতে পারে, কিছু সম্পর্কের সময়কাল কয়েক মাসেই থেমে যায়। একটা সময় জুড়ে আর একজন মানুষকে চেনা, তাঁর
একটি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া কারও জন্যই সুখকর নয়! তা হোক প্রেমের কিংবা বিয়ের। সম্পর্ক ভেঙে গেলে নারী-পুরুষ দু’জনেরই হয়তো সমান কষ্ট হয়। তবে সম্প্রতি এক গবেষণা বলছে, বিচ্ছেদ ঘটলে নারীর
যৌন সম্পর্কিত রোগের ব্যাপকতা বেড়েই চলেছে। সময় যত যাচ্ছে, মানুষের সচেতনতা তত বাড়ছে। তবে অনেকে যৌনরোগ রোগই মনে করেন না। ফলে তাদের ক্ষেত্রে রোগমুক্তি কঠিন হয়ে পড়ে, এমনকি একপর্যায়ে ভয়াবহ
সব কথা সব সময় বলা যায় না। তবে সব কথা মুখ ফুটে বলতেও লাগে না। অনিমেষ কি কলেজবেলায় মাধবীলতাকে বলতে পেরেছিল সে তাকে কতটা ভালবাসে? অমিত-লাবণ্যর কি একে অপরকে বলার
যৌনজীবন সুন্দর হলে শরীর সুস্থ থাকে, মন চাঙ্গা হয়-তা জানা আছে সবার। কিন্তু পরিস্থিতি উল্টো হলে শরীর-মনে এর প্রভাব পড়ে। বিয়ের পর ধীরে ধীরে একে অপরের প্রতি শারীরিক আকর্ষণ কমতে
সুস্বাস্থ্য পেতে গেলে সুস্থ যৌন জীবন একান্ত প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত যৌন মিলন হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া শরীরে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতেও নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক অত্যন্ত কার্যকরী। কিন্তু
বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় শীতকালে চামড়া থেকে পানি শুষে নেয় বায়ুম-ল। পানি শুষে নেওয়ায় ত্বক, ঠোঁট ও পায়ের তালু ফেটে যেতে থাকে। মানবদেহের ৫৬ শতাংশই পানি। এর মধ্যে ত্বক নিজেই
ব্যক্তি মাত্রই কাউকে না কাউকে ভালোবাসবে। সেটা স্কুল-কলেজ কিংবা কর্মক্ষেত্রও হতে পারে। যাহোক, কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর প্রতি বিশেষ কোন স্নেহ কিংবা ভালোবাসা অনুভব করলে সেটা দোষের নয়। অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে অনেকটা
ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন সি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি কেবল ত্বকের সৌন্দর্যই বাড়ায় না, সর্দিকাশির মতো ফ্লুও প্রতিরোধ করে। কিছু ফল ও সবুজ শাকসবজি থেকে এই ভিটামিন পাওয়া যাবে।