আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সা: এবং তাঁর সাহাবিরা আমাদের প্রেরণার উৎস। প্রিয় নবীজী সারা জীবন মানবতার কল্যাণে নিজের আরাম-আয়েশ ও ভোগবিলাস ত্যাগ করেছেন। আয়েশা রা: বলেন, রাসূল সা: এই দুনিয়া
পবিত্র হৃদয় জান্নাতে যাওয়ার পূর্বশর্ত। প্রত্যেক মুমিনের উচিত, হৃদয়ের পবিত্রতা অর্জন করা। অর্থাৎ অন্তরকে গুনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন করা এবং হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা, আত্ম-অহমিকা ও কপটতামুক্ত রাখা। মহানবী (সা.)-পবিত্র ও বিশুদ্ধ হৃদয়ের
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যখন তোমাদের কেউ তাশাহহুদে উপনীতে হয়, তখন যেন সে চারটি বিষয় থেকে আল্লাহর আশ্রয় কামনা করে। সে বলবে, হে আল্লাহ, আমি আপনার
শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত ‘শবে বরাত’ নামে প্রসিদ্ধ। শব্দ দুটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। ‘শব’ মানে রাত, ‘বরাত’ মানে মুক্তি। আরবি শব্দ ‘বারাআতে’র অর্থও মুক্তি। তাই শবে বরাত
আজ শুক্রবার হিজরি সনের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত পবিত্র ‘শবেবরাত’ বা ‘লাইলাতুল মুবারাকা’। এই পুণ্য রজনীতে মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর বান্দাদের জন্য রহমতের বিশেষ দরজা খুলে দেন। মহান
সব মাসের (চন্দ্র মাস) ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখা রাসূল সা:-এর সুন্নাত। লাইলাতুন নিসফ বা শবেবরাত কেন্দ্রিক রোজা রাখার বিষয়ে কোনো সহিহ হাদিস নেই। এ বিষয়ে কোনো দুর্বল
কারও প্রতি শত্রুতাভাব বজায় রাখার নাম বিদ্বেষ। একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা মানসিক অসুস্থতার শামিল। ইসলামে পারস্পরিক বিদ্বেষ পোষণ করা হারাম। হাদিসে বলা আছে, ‘তিন ব্যক্তির গুনাহ মাফ হয়
হিজরি বা চান্দ্র মাসের অষ্টম মাস শাবান। শাবান আরবি শব্দ, অর্থ শাখা প্রশাখা। আর শাবান মাস এলেই চার দিকে ইবাদতের সুবাতাস বইতে শুরু করে। মুমিন হৃদয় জেগে ওঠে। নিজেকে প্রভুপ্রেমে
সৎকাজকে আরবিতে বলা হয় ‘আল বির’। এর অর্থ সততা, ন্যায়পরায়ণতা, পুণ্য, গুণ, দানশীলতা, সদ্ব্যবহার ইত্যাদিও আসে। পবিত্র কোরআনে ‘বির’ বা সৎকাজের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘ভালো কাজ
পাপের কারণে আল্লাহ বান্দার ওপর ক্রোধান্বিত হন। আমাদের সমাজে এমন কিছু পাপ আছে, যেগুলোর কারণে পূর্ববর্তী উম্মতের ওপর আসমানি আজাব অবতীর্ণ হয়েছে। ঝড়-তুফান, বিকট আওয়াজ, দুর্ভিক্ষ, ভূমিধস, অন্তরে ভয়-ভীতি জাগিয়ে