মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ ভাইরাসে ১ হাজার ১৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্বব্যাপী এ মহামারী ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে যেকোন দেশে একদিনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে এ সংখ্যা সর্বোচ্চ। বৃহস্পতিবার
নিউইয়র্ক এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণিত হয়েছে।স্থানীয় সময় বুধবার পয়লা এপ্রিল মাত্র ১২ ঘন্টায় মারা গিয়েছে ১০ জন বাংলাদেশি ,প্রবাসীদের মধ্য চরম আতংক বিরাজ করছে॥ মৃত্যু ব্যক্তিরা হলেন:মোস্তাক আহমেদ ,(চাঁদপুর )জালাল আহমেদ
নিউইয়র্ক:ফটো সাংবাদিক এ হাই স্বপনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় সময় আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের নিউজারসিতে বাংলাদেশ সোসাইটির সংরক্ষিত কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। এরআগে স্বপনের নামাজে জানাজা
যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর মিছিলে প্রতিদিন যোগ হচ্ছে নতুন নতুন নাম। সবচেয় করুণ অবস্থা নিউইয়র্ক নগরীর। ঘুম থেকে উঠলে মৃত্যুর সংবাদ, ঘুমাতে গেলে মৃত্যুর সংবাদ। এই রকম কঠিন বাস্তবতা নিয়ে বেঁচে আছেন
মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও এই ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি, তাই নিজেকে নিরাপদ রাখতে শারীরিক
সোমবার নিউইয়র্কের এক বাংলাদেশি নারী জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছিলেন না। উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিকসে আক্রান্ত ওই নারী কোনো ভাবেই তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি। জানা যায়, তার পিসিপি (প্রাইমারি কেয়ার ফিজিশিয়ান)
যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিশাত আফছা চৌধুরী (২৮) নামের এক বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু হয়েছে । তার শ্বশুরবাড়ি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে। সোমবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় যুক্তরাষ্ট্রের কুইন্স হাসপাতালে
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস আধুনিক চিকিৎসার জন্য সুপরিচিত শহরগুলোকে একটা একটা করে বিধ্বস্ত করছে। হাঁটু গেঁড়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কও। বিশ্বের সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্ত এখন যুক্তরাষ্ট্রে। তার অর্ধেকের
বিশ্বের ৯টি দেশে মোট ৫৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে করোনাভাইরাসে। যুক্তরাষ্ট্রে ৩০: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার পর্যন্ত (৩০ মার্চ) ৩০ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই নিউইয়র্কে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছেন পাঁচশ ৪০ জন। দেশটিতে করোনা রোগী শনাক্তের পর গতকালই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ মারা গেল। এতে করে করোনা আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের