ইসরাইলি সেনাবাহিনী হলো বিশ্বের সবচেয়ে অপরাধী বাহিনীগুলোর একটি। আর ইসরাইলি নেতারা হলেন যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধী অপরাধী। তারা গাজায় চলমান গণহত্যার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের নির্মূল করছে। ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলায় ইসরাইলের আন্তর্জাতিক আইন
ন্যাটোর মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনব্যার্গ জানিয়েছেন, দেশের জিডিপির দুই শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে তুলে রাখতে এগিয়ে এসেছে বেশ কয়েকটি ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র। ৩২টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ২৩টি সদস্য রাষ্ট্রই আশা করছে যে-
সৌদি আরবে এ বছর হজ পালনে গিয়ে কমপক্ষে ৫৫০ জন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের বেশিরভাগেরই মৃত্যুর কারণ তীব্র গরম। গতকাল মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গাজায় যুদ্ধ পরিচালনা নীতির বিরুদ্ধে হাজার হাজার ইসরাইলি নাগরিক সোমবার জেরুসালেমে বিক্ষোভ জানিয়েছে। ইসরাইলি পার্লামেন্টে নেসেটের সামনে থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়ে পরবর্তীতে তা নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত
হিজবুল্লাহ-ইসরাইল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে লেবানন যুদ্ধের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন ইসরাইলি বাহিনীর উত্তরাঞ্চলী কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল ওরি গর্ডিন এবং অপারেশন্স ডিরেক্টরেটের প্রধান মেজর জেনারেল ওদেদ বাসিউক। এক বিবৃতিতে ইসরাইলি বাহিনীর জানায়,
প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণসহ বিবিসির তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভূমধ্যসাগরে তিন বছরে ১৫টি ঘটনায় ৪০ জনের বেশি অভিবাসীর মৃত্যুর জন্য গ্রিক কোস্টগার্ড দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়, নয়জন অভিবাসীকে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ সাগরে ফেলে দেয়া
ইসরাইলের বিরোধী নেতা ইয়ার ল্যাপিড আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে ক্ষমতাসীন নেতানিয়াহু সরকার উৎখাত হয়ে যেতে পারে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে
বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে মার্সার কস্ট অব লিভিং সার্ভে। ২০২৪ সালের এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে হংকং। এতে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান ১৪০তম, যা ২০২৩ সালের তালিকায় ছিল ১৫৪। অর্থাৎ
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ১০ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। এসময় নৌকাটি থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৫১ জনকে। গতকাল সোমবার এই তথ্য জানিয়েছে জার্মান দাতব্য সংস্থা রিসকিউশিপ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক
গাজা উপত্যকায় একের পর এক বিজয় দাবি করে চলেছে ইসরাইলি বাহিনী। কিন্তু ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসও ছেড়ে দিচ্ছে না। তারা নতুন নতুন কৌশল গ্রহণ করে বেশ বিপর্যয়কর অবস্থায় ফেলে দিচ্ছে