গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান সংঘাতের তীব্রতা কমানোর জন্য ‘কায়রো শান্তি সম্মেলন’ নামে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হতে পারে। শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস দুই আমেরিকান বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে কাতার ‘দূতের ভূমিকা’ পালন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো
খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের পেছনে ভারতের হাত থাকার অভিযোগ তুলেছিল কানাডা। যা নিয়ে দুদেশের সম্পর্কে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, কানাডার তোলা অভিযোগ নিয়ে অহেতুক বিতর্ক করার
গাজার অবরুদ্ধ জনগণের সমর্থনে শনিবারও বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনি-পন্থী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান এ সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ৪ হাজার ১৩৭ জনে পৌঁছেছে। শুক্রবার কাতারভিত্তিক
ইসরাইলিরা এখন থেকে ভিসা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। ইসরাইলের ওয়াশিংটন দূতাবাস বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইসরাইলিদের জন্য এ সুবিধার অনুমোদন করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, এ
ইসরাইল সরকার একটি প্রবিধান পাস করেছে যাতে বিদেশী গণমাধ্যম আলজাজিরার অফিসগুলো বন্ধ করে দেয়া যায়। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যদি দেখা যায় জরুরি অবস্থায় বিশেষ করে বর্তমানে গাজা উপত্যকায় হামাসের সাথে
কানাডায় শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জারের হত্যাকে কেন্দ্র করে ভারত ও কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক বিবাদ যেন থামছেই না। কানাডা জানিয়েছে, কূটনীতিকদের সুরক্ষা কবচ তুলে নেয়ায় ভারতীয় হুমকির মুখে তারা
ইসাইলিরা ক্ষেপেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসরাইলি মনে করে, ৭ অক্টোবরের গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গ্রুপ হামাসের হামলার জন্য নেতানিয়াহুর উচিত প্রকাশ্যে দায় স্বীকার করা। মারিভ পত্রিকার এক
গাজার হাসপাতালে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের বর্বরোচিত হামলায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। দুই সপ্তাহ ধরে চলমান এ নৃশংস হামলা অবিলম্বে বন্ধ করাসহ গাজার ওপর থেকে অবোরধ তুলে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মুসলিম
তুরস্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে সকল কূটনীতিককে প্রত্যাহার করছে ইসরাইল। গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ইসরাইল। নিরাপত্তাগত কারণে তুরস্কে নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত