মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার আলোচনায় বিশাল অগ্রগতি হয়েছে।’ তবে এখনো কিছু কাজ বাকি আছে বলে জানান রুবিও। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি আটটি যুদ্ধের মধ্যে পাঁচটি শুল্কের হুমকি দেখিয়ে থামিয়েছেন। তার মতে, বিদেশি দেশ থেকে শুল্ক ও বিনিয়োগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ‘ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার’ আয় করছে,
যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে কেন্দ্র করে একটি নতুন ধরনের অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। লক্ষ্য প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করা। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, অভিযানের প্রথম ধাপ হতে পারে গোপন
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন তার ইতিহাসে অন্যতম কঠিন মুহূর্তের মুখোমুখি, কারণ ট্রাম্প তাঁর প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’ মেনে নিতে কিয়েভের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন। এর অর্থ হবে রাশিয়ার কাছে
ব্রাজিলের সাবেক রাষ্ট্রপতি জইর বলসোনারোকে শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানী ব্রাসিলিয়ার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ফেডারেল পুলিশ। ২০২২ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার
নাইজেরিয়ার নাইজার রাজ্যে আবারও ভয়াবহ গণ-অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো স্কুলে হামলা চালিয়ে অন্তত ২২৭ শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে অপহরণ করা হয়েছে। এর আগে একই সপ্তাহে আলাদা ঘটনায় ২৫
অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে গাজার ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অনুদান সংগ্রহে ‘বিপর্যয়কর’ ধস নেমেছে। ত্রাণকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা সতর্ক করে বলছেন, বিশ্ববাসী ভুল ধারণা করছে যে ফিলিস্তিনিদের আর সাহায্যের প্রয়োজন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি হোয়াইট হাউজে বৈঠক করেছেন। কোনো ধরনের উত্তেজনা ছাড়াই বৈঠকটি সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে ট্রাম্প মামদানিকে শতভাগ কমিউনিস্ট লুনাটিক বলে
গাজা উপত্যকায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থ যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৮ ফিলিস্তিনি নিহত এবং অন্তত ৭৭ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন এই হামলাকে চলমান যুদ্ধবিরতির সবচেয়ে
ওয়াশিংটনে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সফরকে সফল অভিহিত করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভ্যর্থনা জানান। এটিকে ‘ভবিষ্যৎ বাদশাহ’র প্রতি বিশেষ সম্মান হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৮