বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা সোমবার সকালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ২৪৭ জনে। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মানুষ।
জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক লাখ ২ হাজার ৭৫৩জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। সেখানে মারা গেছেন ১৮ হাজার
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাবিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা এখন এক লাখ ছাড়িয়েছে। ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যুর হার। রোজ মানুষ পরিণত হচ্ছে এক একটি সংখ্যায়। চীনের উহান শহরে প্রাদুর্ভাব ঘটার পর গত ৩১ ডিসেম্বর
করোনাভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাবের মধ্যে যেমন বিয়ে করা যাবে না, তেমনি বিচ্ছেদেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুবাইয়ের আদালত। একসঙ্গে বহু মানুষের সমাগমের আশঙ্কা থেকেই এমন নির্দেশ এসেছে। জি নিউজের খবরে এমন তথ্য জানা
ভারতে করোনাভাইরাস নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা এখন ৬ হাজার ৭৬১ এবং মারা গেছে ২০৬ জন বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৫১৬
করোনাভাইরাসে কোনো মৃত্যু ছাড়াই মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো একটি দিন পার করেছে চীন। গত জানুয়ারি থেকে বৈশ্বিক মহামারীতে প্রতিদিনই মৃত্যু ও আক্রান্তের হালনাগাদ তথ্য দিয়ে আসছে দেশটি। জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন বলছে,
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫৪ করোনা পজিটিভকে চিহ্নিত করা গেছে। এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে এ পর্যন্ত এটাই রেকর্ড বলে সোমবার রাশিয়ার ক্রাইসিস রেসপন্স সেন্টারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে। এই
লকডাউনের মধ্যেও যে হারে গোটা ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে এভাবে চলতে থাকলে লকডাউন শেষ হতে না হতেই ওই মারণ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭,০০০ ছাড়িয়ে যাবে, এমন ভয়ের পরিসংখ্যানই দিচ্ছেন
মহামারীতে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মোকাবেলায় হিমসিম খাচ্ছে গোটা বিশ্ব। বিশ্বজুড়ে দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় অতিরিক্ত চাপ পড়ছে চিকিৎসক-নার্সদের ওপর। নিজেদের সঠিক নিরাপত্তা না থাকা সত্ত্বেও পলিথিন দিয়ে পিপিই
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে বাড়ি লকডাউনের নয় ঘণ্টা পর এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। ৫৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি জ্বর, সর্দি, কাশি এবং শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। রোববার সকাল ৮টায় তার মৃত্যু