বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব বাংলা নববর্ষ। পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ, চৈত্রের শেষ বৈশাখের শুরু। এই শেষ চৈত্র আর পয়লা বৈশাখ নিয়ে যে উৎসবের আয়োজন, তা বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি। বাঙালির
যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ২০২২ সালে ১৯৮টি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র দফতর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন অভিযোগ করেছে। করোনাভাইরাস এবং ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষের কারণে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতির
রোজা ও রমজান মাস পুরোটাই বরকতময়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, রোজা আমার জন্য, আমি নিজ হাতে এর প্রতিদান দেবো অথবা আমি নিজেই এর প্রতিদান। (বুখারি, ৭৪৯২) রোজার কাক্সিত ফল পেতে হলে
শাব্দিক অর্থে জাকাতের অনেক অর্থের মধ্যে পবিত্রতা ও ক্রমবৃদ্ধি অন্যতম। পারিভাষিক অর্থে জাকাত হলো- ধনীদের ধন-মাল থেকে আল্লাহর নির্ধারিত হারে উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রদান করা। আল্লাহ বলেন, ‘…এবং তোমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির
কারাগার প্রতিষ্ঠার সময় একে সংশোধনাগার হিসেবে দাঁড় করানোর প্রয়াস ছিল। সে লক্ষ্য মাথায় রেখে কোড অব কন্ডাক্ট তৈরি করা হয়। অপরাধীদের সংশোধন করার জন্য মাত্রানুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাগারে রেখে, কিছু
মাহে রমজান, সিয়াম সাধনা ও কিয়াম অনুশীলনের সর্বশ্রেষ্ঠ মাস। এ মাস কেবল উপবাস ব্রত বা সংযমের নয়; বরং এ মাস আত্মসংশোধনেরও। এ মাস সহমর্মিতার, সহযোগিতার। এ মাস আল্লাহর ধ্যানের, এ
‘একদা একটি মেষশাবক ঝরনায় পানি পান করছিল। ঝরনার অপর প্রান্তে একটি নেকড়ে বাঘও পানি পান করছিল। মেষশাবকটি দেখতে বেশ নাদুসনুদুস। এ দেখে নেকড়ে বাঘের লোভ হলো। সে মেষশাবককে খাদ্য হিসেবে
ডলার সঙ্কটে আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে না পারায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দ্বারস্থ হয় ব্যাংকগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার রিজার্ভ থেকে সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করে থাকে। রিজার্ভের ওপর চাপ
রমজান মুসলিম উম্মাহর দরবারে সংযম, আত্মত্যাগ, আত্মশুদ্ধির বার্তা বয়ে আনে। সারা দিনের সাওম পালন শেষে সূর্যাস্তের আগে ইফতার নিয়ে অপেক্ষমাণ মু’মিন বান্দা আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্যের বলিষ্ঠ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
কথায় বলে, হুজুগে বাঙালি। সামনে যা পায় তা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সংবাদের শিরোনাম হিসেবে কখনো আসে ‘হিরো আলম’ কখনো বা আরাভ খানরা। বাংলাদেশের যেকোনো সংবাদ মাধ্যম তো আছেই উপরন্তু