ডলারের শক্তির ওপর কেন্দ্রীভ‚ত মার্কিন ডলার সূচকটি বর্তমানে এমন মাত্রায় অবস্থান করছে, যা দুই দশকেও দেখা যায়নি। সম্প্রতি সূচকটি ১০৪-এর উপরে স্পর্শ করেছে। গত সপ্তাহে এটি ২০২২ সালের হিসাবে প্রায়
মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থের বিরোধ, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) জোরালো পদক্ষেপের অভাব এবং সর্বোপরি যুক্তরাষ্ট্রের অন্ধ পক্ষপাতিত্বের কারণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ক্রমে এখন উবে যাচ্ছে বলে ধারণা
প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘আন্তর্জাতিক মা দিবস’ পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে কীর্তিমান মায়েদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। পত্রপত্রিকায় ফলাও করে তাদের ছবি প্রকাশিত হয়। কার্ড, খাবার, উপহার পাঠিয়ে আমরা
তারুণ্য হচ্ছে শক্তি। এই শক্তির অপচয় ঘটে তরুণদের মধ্যে বিধিনিষেধ উপেক্ষার প্রবণতা থেকে, বিবেচনাবোধের বিকাশ না হওয়া থেকে। রাস্তাঘাটে, বিশেষ করে গ্রামীণ বা মফস্বলের পথে এক বাইকে দুই-তিনজন তরুণ কখনো
অর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতিতে ‘ডেমনস্ট্রেশন ইফেক্ট’ বলে একটা কথা খুব চাউর আছে। এর বাংলা কোনো প্রতিশব্দ আছে কি না জানি না, তবে এর অর্থ হচ্ছে প্রদর্শনের প্রভাব। অর্থটা একটু খটমটে মনে
আমি অতীতকালের শিরিন সম্পর্কে কথা বলতে প্রস্তুত নই। এটা আজকে না, হয়তো কখনোই না। শিরিন সাংবাদিক হয়ে কয়েক দশক ধরে ইসরাইলি দখলদারিত্বের নিষ্ঠুরতার দিকটি বিশ্বের কাছে তুলে ধরছিলেন। এবার তাকেই
বাংলাদেশের মানুষের গড় মাথাপিছু বার্ষিক আয় ২৫৪৯ ডলারে উন্নীত হয়েছে বলে সরকারিভাবে দাবি করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রীর একটি বক্তব্য মনে পড়ে যায়। গত বছর নভেম্বর মাসে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছিলেন, ‘রাত
ইসলামোফোবিয়া (ইসলামভীতি বা ইসলামবিদ্বেষ বা মুসলিম-বিরোধী মনোভাব) (ইংরেজি: Islamophobia বা anti-Muslim sentiment) হলো নিন্দার্থে বা ব্যাঙ্গার্থে ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক শব্দ যার অর্থ- ইসলামকে ভয় করা। এর দ্বারা ইসলাম ও মুসলিমদের
দেখতে দেখতে চলে গেল ৩৬৫টি দিন। স্বাভাবিকভাবে এক বছর কম সময় হলেও মনে হচ্ছে, দীর্ঘ সময়। এই দিন আমার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিন। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আপনজন ‘মা’কে হারানোর দিন আজ।
১৯৯৮ সাল। দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আওয়ামী লীগ। জিল্লুর রহমান একাধারে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী। আবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সহধর্মিণী আইভি রহমান আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা।