আফগানিস্তানের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশি সৈন্য ও সাধারণ মানুষ কাবুলে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আফগানিস্তানের জনগণ ওই সময় বাংলাদেশিদের
‘এক চোর যায় চলে, এই মন চুরি করে…’- এমন গান শুনতে আমাদের ভালোই লাগে। কারণ এসব গানে চুরির বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে হাসি, তামাশা আর রোমান্টিসিজমের আবরণে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বাস্তবে
একুশে আগস্ট শনিবার, আওয়ামী লীগের সভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ১৭তম বার্ষিকী পালনের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া (ভার্চুয়াল) বক্তৃতা শুনছিলাম। প্রধানমন্ত্রী তার স্বভাবসিদ্ধভঙ্গিতে বলছিলেন, কীভাবে পুলিশ এ হামলার ছক সাজিয়েছিল
২০ বছর পর আফগানিস্তানের ক্ষমতায় তালেবানের ফিরে আসার মধ্যে কিছুটা নাটকীয়তা ছিল। এ মাসের গোড়ার দিকে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আভাস ছিল, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে তালেবানরা কাবুলের দখল নিতে পারে।
ইতিহাসের নিরিখে খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। ১৭ বছর। ঠিক ১৭ বছর আগে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিশ্বের ইতিহাসে ভয়াবহ এক নজিরবিহীন ঘটনায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি নির্মম, জঘন্য ও কলঙ্কজনক ঘটনা। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা নারী, শিশু রাসেলসহ ১৮ জনকে ঘাতকরা গুলি করে হত্যা করে।
ইতিহাস বলছে প্রায় একশ বছর আগে আফগানিস্তানের রানি সুরাইয়া ছিলেন প্রথম আধুনিক মুসলিম নারীর প্রতীক। যিনি সিরিয়ায় পড়াশোনা করেছিলেন। আমীর হাবিবুল্লাহ খানের ছেলের সঙ্গে ভালোবাসা হয়েছিল তার। তখন তিনি কিশোরী।
গত কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহ দেখে সবাই নিশ্চিত ছিল যে, ক্ষমতা তালেবানের হাতেই যাচ্ছে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি? ভাবেননি কেউই। শেষ কয়েকদিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিল তালেবান বাহিনী। তারই চ‚ড়ান্ত রূপ দেখা গেল
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলার স্বার্থে গত এপ্রিল থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের লকডাউন আরোপ করা হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণের মাত্রা দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১ জুলাই থেকে সারা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বনন্দিত এক নেতা। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ এই মহান নেতার জন্ম গোপালগঞ্জের শ্যামল ছায়াঘেরা গ্রাম টুঙ্গিপাড়ায়। বাঙালি জাতির হাজার বছরের আশীর্বাদ হয়ে যিনি