‘মা, টিভি বন্ধ কোরো না’ বলে সাত বছরের যে শিশুটি বাবার সঙ্গে বাড়ির কাছের মসজিদে গিয়েছিল, সেই জুবায়ের তার মায়ের কাছে আর ফেরেনি। নারায়ণগঞ্জের মসজিদের মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে অন্য আরও অন্তত
গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ছিল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আমাদের সাক্ষরতার হার ৭৫ শতাংশ। যারা শিক্ষা নিয়ে কাজ করেন, বিশেষ করে এনজিও ‘গণসাক্ষরতা অভিযান’
দেশের সার্বিক উন্নয়নের চাবিকাঠি যে শিক্ষা, এ কথা আমাদের নীতিনির্ধারকেরা প্রায়ই ভুলে যান। তাঁরা মনে করেন, শিক্ষা হলো সেকেন্ডারি বা ঐচ্ছিক বিষয়। আসল হলো রাজনীতি এবং সে রাজনীতির ভিত্তি কোনো
অবশেষে আরব ঐক্যের দেখা মিলেছে। যুগের পর যুগ, প্রজন্মের পর প্রজন্মজুড়ে ফিলিস্তিনিরা স্বপ্ন দেখেছে, সম্মিলিত আরব বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে এসে তাদের মুক্ত করবে। নির্বাসিত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক রামজি বারুদ লিখেছেন, ‘রাতে
কোভিড-১৯ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব—এ দুই সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা গভীর একটি সংকট তৈরি করছে। দুটি ক্ষেত্রেই প্রত্যেক মানুষকে রক্ষা করার নামে যেসব পদক্ষেপ
ভয় একটি ভয়ানক রোগ। এ রোগে আমরা সবাই কমবেশি আক্রান্ত। এ রোগ যদি একবার কাউকে পেয়ে বসে তবে তার জীবন থেকে শান্তি ও স্বস্তি বিদায় নেয়। এমন কি বিচার-বুদ্ধিও। কোনো
গত ১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় নিউজ ম্যাগাজিন ‘দি আটলান্টিক’-এ ডেভিড গ্রাহাম একটি নিবন্ধ লিখেছেন। নিবন্ধটির শিরোনাম Kanosha could cost trump election- অর্থাৎ কেনোসার ঘটনাবলির কারণে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যেতে পারেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকদিন থেকেই আলোচনায় আছেন। একের পর এক তিনি সংবাদের জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন। তার বক্তব্যের জন্য তাকে শুধু বিতর্কিতই করেনি; বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কেও একটা খারাপ ধারণার
জেনারেল কাসেম সুলাইমানিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। বহু মার্কিন সৈন্যকে হত্যা করার জন্য তাকে এবং ইরানকে অভিযুক্ত করার পরই তিনি গুপ্তহত্যার শিকার হন। ইরানকে শায়েস্তা করার জন্য আমেরিকান ও ইসরাইলি
আমেরিকা-যুগ কি ফুরিয়ে এসেছে? মার্কিন পরাশক্তি কি কার্যত ব্যর্থ হয়ে পড়েছে? আমরা কি তাহলে পরবর্তী বিম্বে পা রাখছি? আশির দশকের শেষের দিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তা ফ্রান্সিস ফুকুইয়ামা বড় আড়ম্বরে