গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ভোটাধিকার হলো নাগরিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধিকার ও কর্তব্য। রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্বশীল নেতা নির্বাচনে পছন্দমতো প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারা মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার। এর সুষ্ঠু
ভারতের বাজেট অর্থনীতি মোদির সামনে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। ভারত এক চূড়ান্ত আর্থিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চলেছে। এক প্রবল ঝড়ঝঞ্ঝার মধ্য দিয়ে চলছে নরেন্দ্র মোদির ভারত নামের জাহাজ। মনে হচ্ছে, জাহাজে
মানুষের কিছু কিছু শখ থাকে যা আত্মঘাতী; যেমন সাপুড়ে সাপ পোষে। শুনেছি, সাপুড়ে নাকি সাপের কামড়েই মারা যায়। রাষ্ট্রীয়পর্যায়ে ঠিক তেমনি একটি শখ হলো, পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ ও মজুদ করা।
গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র হত্যা করেছে ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে। তিনি ছিলেন ইরানের রেভ্যুলিউশনারি গার্ডের ‘অভিজাত’ কুদস বাহিনীর কমান্ডার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে এই নজিরবিহীন হতাকাণ্ড
উত্তরপ্রদেশ এখন এমন এক চরম যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতা অর্জন করছে, যা মানবতাবিরোধী দণ্ডনীয় অপরাধের পরিণাম। এটি অত্যুক্তি হবে না যে, মুখ্যমন্ত্রী তার প্রদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এ জন্য
মধ্যবিত্ত শ্রেণীর একটা বৈশিষ্ট্য হলো তারা না পারেন অভাব-অনটন সইতে, না পারেন গলা উঁচিয়ে তা জাহির করতে। কারণ তারা মানসম্মানের ব্যাপারে খুব সচেতন। অভাব-অনটন ব্যাপারটা মুখ বুজে সহ্য করেন, তবু
ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ২২ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ তফসিল ঘোষণা করেন। প্রথমবারের
১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২২ বছর পরও পাহাড়ে বনজঙ্গলে চলছে বন্দুকযুদ্ধ, অস্ত্রের মহড়া ও একে ৪৭সহ অত্যাধুনিক অস্ত্রের প্রদর্শনী। প্রায় দুই যুগ পরও শান্তির শ্বেত কপোতের দেখা মেলেনি,
১৯৬০-এর দশকের প্রথমার্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির প্রবীণ অধ্যাপকরা বেশ উদ্বেগের সাথে বলতেন- ‘উই আর সিটিং অন এ পপুলেশন টাইম বম্ব’ (আমরা জনসংখ্যা টাইম বোমার ওপর বসে আছি)। ১৯৬০ সালে দেশের
চিররঞ্জন সরকার: খাতায়-কলমে আগমনি বার্তা ছিল। সেই সঙ্গেই ছিল ‘সে কি এলো, সে কি এলো না’র সংশয়ও। সেই দোলাচল কাটিয়ে আকস্মিকই আততায়ীর মতো হানা দিল শীত। শীতপ্রেমী বাঙালি এখন শীতের