বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, ‘নিজের দেশের মানুষে দিকে বন্দুক তাক করেন তাই না? আমরা ক্ষমতায় এলে সব হিসাব নেব। কাউকে ছাড় দেওয়া
কুমিল্লায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের মঞ্চে পৌঁছেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। একে একে বক্তৃতা করছেন নেতারা। শনিবার বেলা ১১টার দিকে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়। দুপুর সোয়া
বিএনপির অষ্টম বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে কানায় কানায় পূর্ণ কুমিল্লার টাউন হল মাঠ। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসছেন নেতাকর্মীরা। তাদের মিছিল আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে নগরীর টাউন হল মাঠ।
কুমিল্লায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা নগরীতে প্রবেশ করতে শুরু করেছেন। শীতের রাতকে উপেক্ষা করে খোলা মাঠে রাত কাটিয়েছেনে হাজারো
আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগের সমাবেশ নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনেই হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, আমরা যেখানে বলেছি সেখানেই হবে। অনুমতি দিলেও হবে,
আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বহুল প্রতীক্ষিত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ ডিসেম্বর। ৩০তম এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে বেড়ে গেছে নানামুখী তৎপরতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র মধুর
কোনো ঝামেলা না করে আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘তারা (পুলিশ) সমাবেশের স্থান দেয়নি
আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশকে সামনে রেখে সারা দেশে একের পর এক গায়েবি মামলা দায়ের করা হচ্ছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যেভাবে গায়েবি মামলার
বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ একেবারে শেষের পথে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার মহাসমাবেশ ঘিরে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ওই সমাবেশ ঘিরে রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। চায়ের টেবিলেও আলোচনার ঝড় উঠেছে ১০ ডিসেম্বর
দেশের জনগণ জেগে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতারা। তারা বলেছেন, লড়াই শুরু হয়ে গেছে, মানুষ নেমে পড়েছে, তাদের আরও জাগাতে হবে। এখন আরও শক্তি সঞ্চয় করে চলমান আন্দোলনে নিহত