কোভিড-১৯ পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, তারমধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামনের মাসগুলোয় রাজ্যগুলোর অর্থনীতি পুনরায় চালু করার বিষয়ে গভর্নরদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। ‘ওপেনিং আপ আমেরিকা এগেইন’ শীর্ষক ওই নির্দেশনায় তিনটি
করোনা ভাইরাসের প্রকোপে বিশ্বব্যাপী মহামারির সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থা আমেরিকার। প্রথম থেকেই একে চীনা ভাইরাস বলে ডাকছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনের তরফে এর তীব্র প্রতিবাদ করা
করোনায় দেশের স্বাস্থ্য খাতসহ সব খাতই বলতে গেলে বিপর্যস্ত। করোনার চিকিৎসা সহজ নয় আর সেই সাথে ভেঙে পড়েছে অন্য রোগবালাইয়ের চিকিৎসাও। কষ্টে আছে বিভিন্ন খাতের শ্রমিক, কম আয়ের জনগণ। চিকিৎসকরা
করোনাভাইরসের গ্রাসে মৃত্যুমিছিল অব্যাহত আমেরিকায়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংখ্যা। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৩৪ হাজার ছাপিয়ে গেছে। আর বিশ্বে মোট মারা গেছে ১ লাখ ৪৫ হাজার
যুক্তরাষ্ট্রের আবিংটন ল্যান্সডেল হসপিটালের ডাক্তার কাজী আলতাফ হোসেন এমডি। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এই ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার ওই হাসপাতালে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কাজ করছেন। কোভিড-১৯ মহামারীর এ সময়টিতে হাসপাতালে তিনি এবং
করোনা বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় রোগের সংক্রমণ ঘটিয়েছে বলে স্বাস্থ্য অধিদফতর সমগ্র বাংলাদেশকে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মুল) আইন ২০১৮ ধারার ক্ষমতা বলে সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করেছে। এ আইনের
আব্দুর রাজ্জাক। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার গোস্বামী দৃর্গাপুর ইউনিয়নের উত্তর মাগুরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। গত তিন বছর ধরে তার নামে খাদ্যবান্ধব কর্মসুচীর ওএমএসের বরাদ্দকৃত চাল উঠছে। অথচ
এতোকাল বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া বা বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর মানুষজনই কেবল বিনা চিকিৎসায় মারা যেত! কিন্তু আমেরিকা বা ইউরোপের মতো উন্নত দেশগুলোতেও যে মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে পারে- তা ছিলো
যাদের সোশ্যাল সিকিউরিটি ও এলিয়েন নম্বর আছে তাদের জন্য ২২.২ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। ইতোমধ্যে ৮০ মিলিয়নেরও বেশি লোক তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী অর্থ পেয়েছেন। তবে করোনাভাইরাস মহামারির
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশ্বের যেসব দেশ সফল হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে মিল কোথায়? মিল হলো, এদের বেশিরভাগের নেতৃত্বেই রয়েছেন নারীরা। আইসল্যান্ড থেকে শুরু করে তাইওয়ান, জার্মানি আর নিউজিল্যান্ড, সর্বত্রই নারীর জয়