মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে অনেকটাই বদলে গেছে করোনা ভাইরাসের ধরন। এখন অনেকে আক্রান্ত হলেও আগের মতো জ্বর, সর্দি-কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনো লক্ষণই থাকছে না। কখনো সামান্য শরীর ব্যথা করলেও ভেতরে
দেশে চলছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথমের চেয়ে দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত ও শনাক্তের হার অনেক বেশি। আক্রান্ত হওয়ার পরে কোন কোন লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে তা অনেকেই জানা
বাতাসের মাধ্যমেই করোনা বেশি ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের একটি টিম এ বিষয়ে শক্তিশালী প্রমাণ পেয়েছেন। ব্রিটিশ চিকিৎসাবিষয়ক ম্যাগাজিন দ্য ল্যানচেটে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই ওই
এক শতাংশ পভিডিন আয়োডিনের মিশ্রণ নিয়ে ৪ ঘণ্টা পরপর কুলি এবং এই মিশ্রণের কয়েক ফোঁটা নাকে ও চোখে প্রয়োগ করলে ব্যবহারকারী করোনাভাইরাস পজিটিভ থেকে দ্রুত নেগেটিভ হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
গ্রীষ্মকালের অন্যতম জনপ্রিয় ফল তরমুজ। গরমে আরাম পেতে তরমুজ খায় না, এমন মানুষ খুব কমই আছে। গ্রীষ্মকাল আসার সাথে সাথেই বাজারে তরমুজের মেলা বসে যায়। তরমুজে ৯২ শতাংশ পানি রয়েছে।
ব্রিটেনে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিয়ে রক্ত জমাট বাঁধায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দেশটির ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা পণ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, গত ২৪ মার্চ পর্যন্ত যে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বৃহস্পতিবার বলেছেন, এভাবে করোনা রোগী বাড়লে হাসপাতালে জায়গা থাকবে না। তিনি বলেন, ‘যেভাবে প্রতিদিন করোনা বৃদ্ধি পাচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে দেশে কোনো হাসপাতালেই রোগী
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যাকসিন নিরাপত্তা বিষয়ক বৈশ্বিক উপদেষ্টা কমিটি বলেছে, যুক্তরাজ্য-সুইডিশ অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ঝুঁকিমুক্ত। খবর তাসের। শুক্রবার প্রকাশিত কমিটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন (কোভিশিল্ডসহ) ঝুঁকিমুক্ত এবং
সারা দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরুর ৩৩তম দিনে আজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৪৩৩ জন। আগের দিনের চেয়ে আজ টিকাগ্রহীতার সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় নিয়েছেন ১৩ হাজার
পোশাকি নাম ‘ক্যানডিডা অরিস’ বা ‘সি-অরিস’। আসলে করোনা ভাইরাসের আবহে তৈরি হওয়া এটি এক ধরনের নতুন ভয়াবহ সুপারবাগ, যা এক বিশেষ ধরনের ছত্রাক। এটি এমনই ভয়ঙ্কর যে বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী