স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বৃহস্পতিবার বলেছেন, এভাবে করোনা রোগী বাড়লে হাসপাতালে জায়গা থাকবে না। তিনি বলেন, ‘যেভাবে প্রতিদিন করোনা বৃদ্ধি পাচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে দেশে কোনো হাসপাতালেই রোগী
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যাকসিন নিরাপত্তা বিষয়ক বৈশ্বিক উপদেষ্টা কমিটি বলেছে, যুক্তরাজ্য-সুইডিশ অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ঝুঁকিমুক্ত। খবর তাসের। শুক্রবার প্রকাশিত কমিটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন (কোভিশিল্ডসহ) ঝুঁকিমুক্ত এবং
সারা দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরুর ৩৩তম দিনে আজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৪৩৩ জন। আগের দিনের চেয়ে আজ টিকাগ্রহীতার সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় নিয়েছেন ১৩ হাজার
পোশাকি নাম ‘ক্যানডিডা অরিস’ বা ‘সি-অরিস’। আসলে করোনা ভাইরাসের আবহে তৈরি হওয়া এটি এক ধরনের নতুন ভয়াবহ সুপারবাগ, যা এক বিশেষ ধরনের ছত্রাক। এটি এমনই ভয়ঙ্কর যে বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী
করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে গত বছর পৃথিবীর প্রতিটি দেশর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই তুমুল চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গেছে। এ সময় অধিকাংশ দেশেই অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত হওয়ায় বেড়েছে অসুস্থতা ও মৃত্যুর হার। বিশেষ
সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস টিকার প্রয়োগ বিশ্বের অনেক দেশে স্থগিত হলেও বাংলাদেশের এই টিকার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। স্বাস্থ্য সচিব মোঃ আবদুল মান্নান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, এই
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা এখন দেশেই করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে হাত দিয়েছি। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ল্যাবে এটা তৈরি হবে। এ ল্যাবটি শিগগিরই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমোদন পেয়ে
করোনাভাইরাসের আরও একটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া জনসন অ্যান্ড জনসনের এ ভ্যাকসিন এক ডোজের। অর্থাৎ করোনা প্রতিরোধে এর এক ডোজই যথেষ্ট। তাছাড়া এ ভ্যাকসিন দামেও
আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষককে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। আজ সকাল ১১টায় সচিবালয়ের ক্লিনিকে টিকা নিয়ে
বয়স্ক বা ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা কোভিশিল্ড দেওয়ার ব্যাপারে জার্মানির আপত্তি ধোপে টিকল না। সব সন্দেহ উড়িয়ে এই টিকা গোটা ইউরোপে সব