উচ্চ রক্তচাপের আরেক নাম সাইলেন্ট কিলার। কারণ এর কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। ক্রমে শরীরের দেহকোষের ক্ষতি হয়। এ কারণে সিরিয়াস হেলথ ইস্যু হতে পারে। হাই ব্লাড প্রেসার থেকে আরোগ্য
ক্যানসারের রোগীরা ভেষজ পিল গ্রহণ করলে তাদের চিকিৎসককে বিষয়টি জানানো প্রয়োজন। কেননা এসব ভেষজ পিলের কিছু উপাদান ক্যানসারের চিকিৎসা বাধাগ্রস্ত করতে পারে। সম্প্রতি ক্যানসারবিষয়ক এক কনফারেন্সে এ ধরনের তথ্য দেওয়া
ক্যানসার রোগীরা সব ধরনের সবজি খেতে পারেন না। ফলে ক্যানসার আক্রান্তদের কেউ যদি ভেষজ পিল গ্রহণ করেন তাহলে বিষয়টি তাদের চিকিৎসককে জানানো প্রয়োজন। কারণ এসব ভেষজ পিল এর কিছু উপাদান
সমীক্ষা বলছে ২০৩০ সালের মধ্যে এই উপমহাদেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা হবে সবচেয়ে বেশি। প্রায় ক্যান্সারের মতোই দ্রুত গতিতে ভারতবর্ষে ছড়াচ্ছে এই রোগ। দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড সুগরের সমস্যা থাকলে সেখান থেকে
মৃগী ও স্নায়ু সমস্যায় (মাল্টিপল স্কেলেরোসিস) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য গাঁজার তৈরি ওষুধ ব্যবহার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বিভাগ (এনএইচএস) এমন দুটি ওষুধ ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।
মান বিশ্বে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে একটি দিন কাটানোর কথা কল্পনাও করা যায়না। সারাবিশ্ব মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯ সালের মধ্যেই সারা বিশ্বে প্রায়
সূর্যের আলোর সাতরঙ মিলে যে রশ্মি, তা আমাদের চোখে ধরা পড়ে। এ রশ্মির তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য চারশ থেকে সাতশ ন্যানোমিটার। এগুলো থেকে আকারে বড় যেসব রশ্মি, অর্থাৎ লালের পরে যেগুলোর স্থান, তা
স্ট্রোক মস্তিষ্কের একটি রোগ, যাতে রক্তনালির জটিলতার কারণে হঠাৎ করে মস্তিষ্কের একাংশের কার্যকারিতা হারায়। মনে রাখতে হবে, স্ট্রোক হার্টের কোনো রোগ নয়। স্ট্রোকের লক্ষণগুলো : হঠাৎ করে শরীরের একাংশ অবশ বা
পাকস্থলীর ক্যানসার গ্যাস্ট্রিক ক্যানসার নামেও পরিচিত। এটি সাধারণত পাকস্থলীর আবরণী কলা থেকে উৎপত্তি ঘটে। প্রাথমিক লক্ষণগুলো হলো- বুকজ্বালা, পেটের ওপরের অংশে ব্যথা; বমি ও ক্ষুধামন্দা-পরবর্তী লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ওজন কমে
আমরা বিভিন্ন কারণে ওষুধ সেবন করি৷ কখনও চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী, কখনও বিনা পরামর্শে৷ এর মধ্যে কিছু কিছু ওষুধ আমাদের ফুসফুসের নানা সমস্যা করে৷ নিম্নে ওষুধজনিত কারণে সমস্যার বিবরণ দেয়া হলো:-