করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশের প্রতিটি পাড়া মহল্লা কঠোর নজরদারির মধ্যে রাখতে চায় সরকার। ভাইরাসে আক্রান্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করার জন্য জোরালোভাবে কাজ চলছে। বিশেষ করে বিদেশফেরত প্রবাসীদের বাড়ি চিহ্নিত
আফ্রিকার ৫৪ দেশের মধ্যে ৪২ দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যেই আফ্রিকার দেশগুলোতে কমপক্ষে এক হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে লকডাউনে চলে যাচ্ছে গোটা আফ্রিকা। বাকি মহাদেশগুলোর তুলনায় এতদিন
কোনো লক্ষণ ছাড়াই করোনাভাইরাসের নীরব বাহকের সংখ্যা মোট আক্রান্তের তিন ভাগের এক বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। চীন সরকারের গোপন নথির উদৃতি দিয়ে এই এ খবর জানিয়েছে সাউথ চায়না মানিং পোস্ট।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মিরপুরের এক বাসিন্দা শনিবার মারা গেছেন। এরপর তিনি যে বাসাটিতে থাকতেন সেটি লকডাউন করা হয়েছে। করোনাভাইরাসে বাবার মৃত্যু নিয়ে তার ছেলে ইকবাল আবদুল্লাহ নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট
যেসব দেশে করোনাভাইরাস সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছে তার মধ্যে ইরান অন্যতম। তবে ইরানের জনগণের মধ্যে প্রবল ধারণা ইরানের সরকার করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাত্রা সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি আরো
শহর কলকাতার মধ্যে এ যেন একখণ্ড বাংলাদেশ। কোনো হোটেলের গায়ে লেখা, ‘বাংলাদেশের ঘরের খাবার’। কোনোটিতে বাঙালি খাবারের একাধিক ছবি-সহ লেখা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের বাড়ির কথা মনে পড়বেই’! কয়েক পা এগিয়েই আবার
রাজধানীর মিরপুরের টোলারবাগে আজ রোববার সন্ধ্যায় একজন মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আজ বিকেলে কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে জানানো হয় তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এর আগে আজ সকালে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা
দেশে করোনাভাইরাসে আরও তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন নারী ও দুজন পুরুষ। আশার বিষয় হচ্ছে, প্রাণঘাতী এ সংক্রমণে নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর নেই। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনভাইরাসের প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। বিশ্বের অন্তত ২০টি কোম্পানি খুব চেষ্টা করে যাচ্ছে এই প্রতিষেধক আবিষ্কারের। এরই মধ্যে আমেরিকায় মানবদেহে এর পরীক্ষার কাজও শুরু হয়েছে।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মৃতের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এমন সংকটময় পরিপস্থিতে ভালো নেই পাকিস্তানও। দেশটিতে করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৭২০ জন।