বৈশাখের দাবদাহে প্রকৃতি পুড়ছে। তীব্র গরমে দৈনন্দিন জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আর এই গরম থেকে কিছুটা রেহাই পেতে ঠাণ্ডা পানি খাওয়া বিাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, এই গরমের সময়
বর্তমান সময়ে অনেক প্রচলিত রোগের একটি হল কিডনিতে পাথর। যে কোনও বয়সেই হতে পারে কিডনিতে পাথরের সমস্যা। জীবনযাপনের নানা সমস্যা, পানি কম খাওয়া, প্রস্রাব চেপে রাখার মতো বহু কারণে এই
তীব্র তাপদাহে শরীরের যা-তা অবস্থা। তার মধ্যে একটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। অনেকের দীর্ঘ সময় কাটছে বাথরুমে। তাও পেট পরিষ্কার হচ্ছে না। ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস, বদহজম ইত্যাদি জটিলতায় ভুগতে হচ্ছে। পেট
চা-কফি ছাড়া কোনও আড্ডাই জমে না। রাজনৈতিক আড্ডা হোক বা পরনিন্দা পরচর্চা। শীতকাল আসলে মানুষ চায়ের চেয়ে বেশি কফি খেয়ে থাকেন। কিন্তু গ্রীষ্মকালের পরিস্থিতি একেবারে আলাদা থাকে। যদিও বেশিরভাগ দেশের
কয়েক দিন ধরেই গরমে পুড়ে ছারখার পুরো দেশ। সকালের রোদও যেন ঝলসে দেয় গায়ের ত্বক। কবে কমবে এই তাপদাহ আর গরমের পারদ তা এখনো নিশ্চিত নয় আবহাওয়া অধিদপ্তরও। কিন্তু বাইরে
সূর্যের প্রখর তাপের কারণে প্রকৃতিতে শুরু হয়েছে তীব্র তাপদাহ। এরই মাঝে রোদ মাথায় নিয়ে কাজের প্রয়োজনে বাইরে বেরোতে হয় অনেককেই। রোদ থেকে ফিরে ফ্রিজ থেকে ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার প্রবণতা অনেকেরই
ঈদের আনন্দের অনেকটাই লুকিয়ে থাকে নতুন পোশাকের ঘ্রাণে। শিশুদের কাছে তো অবশ্যই, বড়দের জন্যও দিনটি আনন্দের। ঈদের পোশাক আর কেনাকাটা নিয়ে ছোটবেলার মতো উত্তেজনা কিংবা হইচই না থাকুক, আনন্দটুকু যেন
চলছে পবিত্র মাস মাহে রমজান। সারা বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পালন করছেন রোজা। রোজার নিয়ম সব দেশের মুসলমানদের জন্য একই রকম হলেও দেশ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস একেক রকম। সারাদিন রোজা থাকার পর
রমজান মাসে রোজা রেখে শরীরচর্চা করতে অনেকেই দ্বিধা করেন। কিন্তু শরীরকে ফিট রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে অল্প করে হলেও ব্যায়াম করা দরকার। রোজায় খেয়াল রাখতে হবে, কখন ব্যায়াম করছেন এবং কতটুকু
রোজা রাখলে অনেকেরই মাথাব্যথা হয়। যদিও মাইগ্রেন, সাইনোসাইটিসসহ বেশ কিছু কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। তবে রোজা রাখার কারণে কেন মাথাব্যথা হয় তা হয়তো অনেকেরই অজানা। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাথাব্যথার কয়েকটি ধরন