যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির নেতার এই সফর বিশ্ব কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে বলে মনে
ইউরোপীয় ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের একক ক্ষমতা খর্ব
ইরানে সামরিক যান, অস্ত্র এবং গোলাবারুদ বাক্সকে কেন্দ্র করে গণবিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) রাজধানী তেহরানে ১০০০ দম্পতির জন্য একটি গণবিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইরান সরকার। যেখানে ঐতিহ্যবাহী
উপসাগরীয় দেশগুলোর অনুরোধে ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে উল্লেখ করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আলী আকবর ভেলায়াতি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েলের পাতা ‘কৌশলগত ফাঁদে’ পা দিচ্ছে ওয়াশিংটন। তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পশ্চিম
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আজ রোববার বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান হয়। প্রতিবেদনে
বেইজিং সফর শেষে দেশে ফেরার আগে চীন থেকে পাওয়া উপহারসামগ্রী ফেলে দিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এমনটাই দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম মিরর ইউএস। এ ছাড়া সফরে ব্যবহৃত সাময়িক ‘বার্নার ফোন’ও নষ্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখে, তাহলে সেটি মেনে নিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। খবর বিবিসির। তার এ বক্তব্যে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা
ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে। জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে সাধারণ মানুষের জীবনে। এমন পরিস্থিতিতে