মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের বলেছেন, তিনি এই দীর্ঘ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান না। এতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলেও। তবে তার এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো।
ইরানে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে হোয়াইট হাউসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে জড়ো হচ্ছেন মার্কিন সেনারা। আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প একটি চূড়ান্ত সামরিক আঘাত হানার পরিকল্পনা করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এশিয়া থেকে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৮০ লাখ মানুষ। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় সাধারণ মানুষ নামেন এবং
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিক্ষোভ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধ শুরুর ঠিক এক মাসের মাথায় সারা যুক্তরাষ্ট্রে রাস্তায় নামলেন বিক্ষোভকারীরা। শনিবারের (২৮ মার্চ) এই মিছিল ছিল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ইরানের পাল্টা কৌশল ও প্রতিরোধের কারণে ক্রমেই চাপের মুখে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। যুদ্ধক্ষেত্রে উত্তেজনা অব্যাহত থাকা, জ¦ালানি বাজারে অস্থিরতা এবং কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরিস্থিতি
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপিয়ে দেওয়া ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই যুদ্ধের জেরে মিত্র থেকে শুরু করে শত্রু দেশগুলো
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে সামরিক চাপ বাড়াতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুদ্ধের ময়দানে যতটা আগ্রাসী অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন, কূটনৈতিক অঙ্গনে ততটা সমর্থন পাচ্ছে না তারা। হরমুজ প্রণালি
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র দাবি করেছেন, ইরানি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। শনিবার এক বিবৃতিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফাজল
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বেঁচে আছেন কি না- তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘তিনি (মোজতবা) আদৌ বেঁচে আছেন কি না, আমি
ইরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন আগামী দিনগুলোতে সম্ভব নয় বলে মূল্যায়ন করেছে একটি সূত্র। একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত ওই সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, তেহরানে শাসন পরিবর্তনের জন্য হয় স্থল সেনা অভিযান চালাতে