একজন মালীর জন্য বাগানের প্রতিটি ফুল যেমন অসাধারণ গুরুত্বের হয় ঠিক তেমনি রোজাদারের জন্য রমজানের প্রতিটি দিন স্পেশাল। শুধু খাদ্য ও পানীয় থেকে মাহরুম থাকার নাম রমজান নয়; বরং রমজান
মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে পবিত্রতম মাস রমজান। আর এই মাসের শ্রেষ্ঠ রজনী লাইলাতুল কদর তথা শবে কদর। এ রাতের মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত
পবিত্র রমজানে বান্দার প্রতি রবের দয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তিনি প্রতিটি আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করেন, বান্দার দোয়া কবুল করেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। বিশেষত রমজানের এসব কল্যাণ লাভে বিশেষ
দিবস-রজনী, মাস-বছর সবই আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি। তারপরও এসবের মধ্যে কিছু কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। বিশেষ করে লাইলাতুল কদর অনন্য ও অনুপম মর্যাদার অধিকারী। এ রাত প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা পৃথক একটি সূরা
সৃষ্টির শুরু থেকে আল্লাহর নির্ধারিত প্রতি বছরে ১২ মাসের মধ্যে পবিত্র রমজান মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন- ‘আমি এ কুরআনকে নাজিল করেছি কদরের রাত্রিতে; কদরের রাত্রি
বার্ষিক আরবি পঞ্জিকা ঘুরে মু’মিন মুসলমানের দরজায় কড়া নাড়ে মহিমান্বিত মাস রমজান। এ মাসের সম্মানে আল্লাহ তায়ালা উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য খুলে দেন রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের দরজাগুলো। বান্দার প্রতি প্রদর্শন
রোজা ও রমজান মাস পুরোটাই বরকতময়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, রোজা আমার জন্য, আমি নিজ হাতে এর প্রতিদান দেবো অথবা আমি নিজেই এর প্রতিদান। (বুখারি, ৭৪৯২) রোজার কাক্সিত ফল পেতে হলে
আজ ১৭ রমজান। এই দিনেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ। এটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বদর প্রান্তে। এজন্য এটি বদর যুদ্ধ নামে প্রসিদ্ধ। বদর যুদ্ধে আল্লাহ অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের অলৌলিক বিজয়
শাব্দিক অর্থে জাকাতের অনেক অর্থের মধ্যে পবিত্রতা ও ক্রমবৃদ্ধি অন্যতম। পারিভাষিক অর্থে জাকাত হলো- ধনীদের ধন-মাল থেকে আল্লাহর নির্ধারিত হারে উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রদান করা। আল্লাহ বলেন, ‘…এবং তোমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির
মাহে রমজান, সিয়াম সাধনা ও কিয়াম অনুশীলনের সর্বশ্রেষ্ঠ মাস। এ মাস কেবল উপবাস ব্রত বা সংযমের নয়; বরং এ মাস আত্মসংশোধনেরও। এ মাস সহমর্মিতার, সহযোগিতার। এ মাস আল্লাহর ধ্যানের, এ