রাস্তায় ছুটছে অগণিত গাড়ি। মহাসড়ক থেকে শুরু করে নেইবারহুড স্ট্রিট সর্বত্রই। যথারীতিই আছে পথচারিদের চলাচল। অত্যাবশ্যকীয় পন্যের দোকানগুলো খোলা। বেচাকেনাও আছে বেশ। অথচ সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী তখন শহরটিতে কারফিউ চলছে।
৭ জুন ১২০১ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পন ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস। ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবসের সকল
টানা ১১ দিনে নিউইয়র্কের আন্দোলনে জন সম্পৃক্ততা আরও বেড়েছে। ব্রুকলিন থেকে ম্যানহাটন, কুইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে ৬ জুন অন্তত ৩০ টি স্থানে সমাবেশ হয়েছে। নিউইয়র্কে নাগরিক আন্দোলনের অন্যতম স্থাপনা ম্যানহাটনের ইউনিয়ন
দেশের টানে ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে করোনাভাইরাসের এই মহামারির সময় চিকিৎসা দিতে সুদূর নিউইর্য়ক থেকে এসেছেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার। তবে দেশসেবা করতে এসে বিপত্তির মুখে পড়েছেন এই চিকিৎসক। বিমানবন্দর থেকে
করোনাভাইরাস এবং আম্ফানের কারণে আজ বিপর্যস্ত পশ্চিমবঙ্গ। ভারতের এ রাজ্যের মনুষের জীবনে ঘটেছে ছন্দপতন। পশ্চিমবঙ্গকে নিজস্ব গরিমায় ফিরিয়ে আনতে তার পাশে দাঁড়িয়েছে গোটা বিশ্বের বাঙালিরা। সেই উদ্যোগেরই ফসল ‘প্রে ফর
নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও মঙ্গলবার নগরীতে রাত্রিকালীন কারফিউ ৭ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছেন। পুরো আমেরিকাজুড়ে চলছে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ। বিক্ষোভকালে সহিংসতা ও লুটপাটের কারণে কারফিউ বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র বিল দে ব্লাসিওয়ের মেয়েকে গত শনিবার রাতে ম্যানহাটনে একটি বিক্ষোভে সমাবেশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, আইন প্রয়োগকারী সূত্রগুলি রবিবার দ্য নিউইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছে। বেলা সাড়ে ১০ টার
মাস্ক ছাড়া কাউকেই নিউইয়র্ক অঞ্চলের দোকানপাট এবং কলকারখানায় প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। দোকানের কর্মচারিরাও মাস্ক পরবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করবে। গতকাল বৃহস্পতিবার এক নির্বাহী আদেশে নিউইয়র্ক
করোনা মহামারিতে বেকার হওয়া লোকজনের বাড়ি ভাড়া মওকুফের একটি বিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাশ হয়েছে নিউইয়র্ক স্টেট পার্লামেন্টে। ‘দ্য ইমার্জেন্সি রেন্ট রিলিফ এ্যাক্ট অফ ২০২০’ নামক বিলটি আইনে পরিণত হলে গত
নিউইয়র্ক সিটিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারী ঠেকাতে আরোপ করা ৭৮ দিনের লকডাউন শেষ হচ্ছে ৮ জুন। জনজীবন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করার অভিপ্রায়ে লকডাউন শিথিলের পরিক্রমায় সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলেও করোনাকে মানিয়ে