ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারতের রাজধানী দিল্লি। রোববার দুপুরে কেঁপে ওঠে দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল। কম্পনের জেরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয় মানুষের মধ্যে। দেশটির আবহাওয়া দফতরের জানিয়েছে, রোববার দিল্লিতে মৃদু
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় অস্ট্রেলিয়ায় আটকা পড়া মোট ১৫৭ বাংলাদেশি মেলবোর্ন থেকে দেশে ফিরেছেন। কলম্বোয় একটি বিরতি শেষে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের
ভারতের মহারাষ্ট্রের আওরঙ্গবাদ জেলায় মালবাহী ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হলেন ১৬ জন অভিবাসী শ্রমিক। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ওই শ্রমিকেরা মধ্যপ্রদেশে ফিরছিলেন। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ২১ জন অভিবাসী শ্রমিকের
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের একটি কেমিক্যাল প্ল্যান্ট থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে কমপক্ষে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আরো প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক মানুষ। উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস,
লকডাউন জারি সত্ত্বেও ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার সকালে জানিয়েছে, ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৫৬১ জন। সারা দেশের হিসাবে সব
কুয়েত থেকে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার বাংলাদেশী। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর তারা ২০-২৫ দিন ধরে দেশটির সিভদী, আবদালী, মাঙ্গাফ ও কসর নামে চারটি ক্যাম্পে হোম কোয়ারেন্টিনে
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ড দেখার পর ভারতে ফের কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা। কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে রোববার ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬৮ জন। এনিয়ে মোট মৃত্যু বেড়ে
ভারতে করোনামুক্ত রাজ্য বিশ্বে স্বীকৃতি পেয়েছে ত্রিপুরা। পঞ্চম রাজ্য হিসেবে এই স্বীকৃতি পেল ত্রিপুরা। এরআগে ভারতের মধ্যে সিকিম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল প্রদেশ করোনামুক্তের তালিকায় ছিল। এবার সেখানে যোগ দিল ত্রিপুরাও।
ভারতে তাবলিগি জামাতের সম্মেলন তথা দিল্লির নিজামুদ্দিন নিয়ে কম তোলপাড় হয়নি। এমনকি এক শ্রেণির মিডিয়া ও কিছু উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী করোনাকে রীতিমতো মুসলিম বানিয়ে ছেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বারাণসীতে তীর্থ করতে
বিশ্ব কাঁপিয়ে দেয়া করোনাভাইরাস ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ মানছে না। ছাড় দিচ্ছে না বিশ্বের বিশিষ্ট মানুষজনদেরও। তার বেশ কয়েকটি উদাহরণ অবশ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মিলেছে। এমনকী ব্রিটেনের রাজপরিবারেও ঠেকানো যায়নি করোনার হানা।