আমরা জানি, বহুল প্রচলিত প্রবচনে নেপোলিয়ন বলেছেন, ‘তোমরা আমাকে সুন্দর মা দাও, আমি তোমাদেরকে সুন্দর জাতি উপহার দেবো।’ অথচ তিনি সুন্দর মা হওয়ার নিয়মনীতি বা পদ্ধতির দিকনির্দেশনা দেননি। উন্নতমানের কারখানা
আজকের পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো শিক্ষা। জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রধান উপকরণ এটি এবং শিক্ষার ওপর ভিত্তি করেই রচিত হয় জাতিসত্তার কাঠামো। জাতীয় আশা-আকাক্সক্ষা পূরণ, জাতীয় আদর্শের ভিত্তিতে চরিত্র
ইসলামাবাদের জিন্নাহ এভিনিউতে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ‘ফিলিস্তিন মুক্ত করো’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। একজন নারী কোলে কয়েক মাসের শিশু এবং অপর হাতে ফিলিস্তিনের পতাকা উঁচিয়ে ধরে রেখেছিলেন। শিশুটি তার মায়ের হাতে ধরে
জাতীয় পরিচয়পত্রের মালিকানা নিয়ে একপ্রকার টানাটানি শুরু হয়েছে যদিও সরকারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা। আর এই শেষ কথায় পিছিয়ে আছে নির্বাচন কমিশন- যারা পরিচয়পত্র তথা জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা এনআইডির প্রবর্তক বলে
জমিরুদ্দীন যখন এলাহাবাদ মিশনে গেলেন, একটি প্রাণচাঞ্চল্যের ঢেউ বয়ে গেল। তিনি যেহেতু একদা মুসলিম ছিলেন, তাকে সামনে আনা হতো মুসলিমবিরোধী আক্রমণে। জমির এটি উপভোগ করতেন খুব। বলতেন অনর্গল, লিখতেন শাণিত।
নারীর ক্ষমতায়নের এ যুগে বাংলাদেশে নারী নির্যাতন কমেছে, না বেড়েছে? হু হু করে বেড়েছে এবং বাড়ছে। প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গের অবস্থাও তাই। কলকাতায় ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ কাগজ হাতে পাই। পত্রিকার পাতা খুললেই নারী
কখনো কল্পনায় আসেনি যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে মানুষকে রাস্তা ও ফুটপাথে মর্মান্তিকভাবে মরতে দেখা যাবে। আর যেকোনো রকম শ্বাস-প্রশ্বাসের ওঠানামা নিয়ে হাসপাতাল পৌঁছে যায়, তার অক্সিজেন পেতে অনেক
প্রিয় পাঠক, দীর্ঘ সময়ব্যাপী অসুস্থ থাকায় আমার পক্ষে গত কয়েক সপ্তাহ বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত কলামটি লেখা সম্ভব হয়নি। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী এবং আপনাদের দোয়ায় অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছি। দোয়া করবেন যাতে
করোনাভাইরাস ডিজিস (কোভিড-১৯) সারা বিশ্বকেই ওলটপালট করে ছেড়েছে। বাংলাদেশে এটি শনাক্ত হয় ২০২০ সালের মার্চ মাসে। সে হিসাবে আজ পর্যন্ত অর্থাৎ ২০২১ সালের মে মাস পর্যন্ত এক বছর তিন মাসের
সেই কবে ১৯০৯ সাল তথা ১৩১৬ বাংলা সনে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন ‘বর্তমান যুগ’ প্রবন্ধে, ‘হাজার হাজার শতাব্দীর মধ্যে পৃথিবীতে এমন শতাব্দী খুব অল্পই এসেছে। কেবল আমাদের দেশে নয়, পৃথিবীজুড়ে এক উত্তাল