অর্থনীতিতে চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা নামে খুব সহজ ও মজার একটা বিষয় আছে । এই স্থিতিস্থাপতা বিষয়টা কী সেটা একটু বুঝে নেই। সাধারণত দ্রব্যের দাম যখন বাড়ে সেই দ্রব্যের জন্য মানুষের চাহিদা
জনজীবনে বহুল আলোচিত যাঁরা, তা সে রাজনীতিকই হোন বা তারকাজগতের কেউ অথবা আধ্যাত্মিক নেতা, তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনযাত্রায় সাধারণ মানুষের অফুরান আগ্রহ নতুন কিছু নয়। এই অনুসন্ধিৎসার ওপর ভিত্তি করে সাংবাদিকতার
কোন কৌশলের খেলা এটি? কী এমন ঘটেছিল যে আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলো। কেন রাজপথ রঞ্জিত হলো? লাশের ওপর পা রেখে কারা ফুর্তি করেছে? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন- এর জন্য দায়ী কারা?
খ্রিষ্টীয় দশম শতকের আগেই মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মানমন্দির প্রতিষ্ঠা করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করলেন এবং দুনিয়া সম্পর্কে পুরনো ধারণা থেকে সরে এলেন। পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সূর্য ও গ্রহগুলোর আবর্তনের তত্ত্ব বা Geocentric
সহস্র বছরের বাংলায় পারস্পরিক আত্মিক ও চিৎপ্রকর্ষগত আটপৌরে বাঙালির অন্তরের সংযোগ ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়ার অনন্য সম্পদ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দ্বি-জাতিতত্ত্বের সুবিধায় পাকিস্তানপন্থিদের চুয়ান্ন
বর্তমানে বাংলাদেশ যখন সাফল্যের সঙ্গে ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, ঠিক তখনই বিশ্বজুড়ে একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনার নতুন ধরন। বাংলাদেশেও করোনার নতুন
কোনো রাষ্ট্র নিজের প্রয়োজন, আকাঙ্ক্ষা পূরণ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবেশের সঙ্গে সংগতি রক্ষা, জাতীয় নীতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নিজের অর্থনীতি বিকাশের প্রয়োজনে তার বৈদেশিক নীতি পরিচালনা করে থাকে। এ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি সম্পর্কে বাঙালি ও অবাঙলি প্রায় সবাই অবগত। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও কালজয়ী ভাষণটি নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে, চলছে গবেষণাও। ২০১৭
বিগত বছরটা নিঃসন্দেহে একটা ঘটনাবহুল সময়। প্রকৃতি, সমাজ কিংবা রাষ্ট্র-সবখানেই এক ধরনের অস্থিরতা ও আতঙ্ক রাজত্ব চালিয়েছে। প্রচলিত জীবনব্যবস্থার ওপর করোনা কতটা প্রভাব ফেলবে-এমন জল্পনা নানা আশঙ্কারও জন্ম দিয়েছিল। অনেকে
আধুনিক বিশ্বের প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। আর প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে হাজারো তরুণ-তরুণী স্বাভাবিক জীবনের গতিপথ থেকে ছিটকে পড়ছে। হারিয়ে যাচ্ছে তাদের সোনালি ভবিষ্যৎ। বর্তমানে