অফিস পলিটিক্স বা কর্মক্ষেত্রের রাজনীতি যে কোনো কর্মজীবনেরই একটি বাস্তব অংশ। অফিসে এমন অনেক সহকর্মী পাবেন যারা বসের কাছে ভালো হতে গিয়ে অযৌক্তিকভাবে অন্যদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করতে থাকেন।
দৈনন্দিন জীবনে চলতে-ফিরতে, রেগে গেলে কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় কথায় কথায় গালি দেওয়া অনেকেরই এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আবার রাস্তায় হঠাৎ হোঁচট খেলে বা তীব্র ব্যথা পেলে অনেকের মুখ থেকেই
এখন অল্প বয়সেই অনেকে ডায়াবেটিকসে আক্রান্ত হচ্ছেন। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস, স্ট্রেস, উদ্বেগ, মানসিক চাপ, জিনগত কারণেই অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন ডায়াবেটিসে। রক্তে ইনসুলিনের অভাবই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। জীবনযাত্রা
মেয়েশিশুরা সব সময় অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা বা খারাপ স্পর্শের কথা সরাসরি বলতে পারে না। ভয়, লজ্জা বা বিভ্রান্তির কারণে অনেক শিশু চুপ হয়ে যায়। তাই অভিভাবকদের উচিত শিশুর আচরণ, মানসিক অবস্থা
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। কোরবানি ঈদেও এখন নিত্যনতুন পোশাকের বাহার নিয়ে আসে ফ্যাশন হাউসগুলো। এই ঈদে সাধারণত জমকালো পোশাক কমই কেনা হয়। কারণ এই ঈদের মাহাত্ম্য আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে হাতের ব্যবহার অপরিসীম, কিন্তু কখনও কি খেয়াল করেছেন- হাতের কোনো আঙুল ভাঁজ করতে গেলে তা আটকে যাচ্ছে বা সোজা করার সময় ‘ক্লিক’ শব্দের সঙ্গে তীব্র ব্যথা অনুভূত
আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় মস্তিষ্ক সচল থাকতে পুরোপুরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু মস্তিষ্ক নিজে গ্লুকোজ তৈরি বা জমা রাখতে পারে না। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে
লিভার সুস্থ রাখতে জরুরি সঠিক জীবনযাপন। মাত্র চারটি অভ্যাস নিয়মিত মেনে চললেই লিভারের বেশ কিছু সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। ♦ সুষম খাদ্য গ্রহণ : নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে লিভার সুস্থ থাকে। লিভারের
হাইপারহাইড্রোসিস হলো এমন এক সমস্যা, যেখানে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ঘাম হয়। এই ঘাম সব সময় গরম বা ব্যায়ামের কারণে হয় না। এই সমস্যায় এত বেশি ঘাম হতে পারে যে
সকালে ঘুম থেকে উঠেই অফিসে যাওয়ার তাড়া থাকে। অনেক সময় ঘুম থেকে উঠতে দেরি হলে অফিসে যেতেও দেরি হয়। এরপর যদি নাস্তা খেতে গেলে আরও দেরি। পরে কিছু না খেয়েই