গরম পড়তেই বাজারে দেখা মেলে নানারকম মৌসুমি ফলের। সারা বছরই গ্রীষ্মকালীন ফল পাওয়া গেলেও আম, জাম, জামরুল, কাঁঠালের মতো কয়েকটি ফল সব সময় পাওয়া যায় না। গরমের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে
রমজানে আমরা সেহরির পর থেকে ইফতার পর্যন্ত কোনো ধরনের খাবার গ্রহণ করি না। ফলে আমাদের পানিশূন্যতা অনেক বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। প্রভাব ফেলে ত্বকে। সেহরি ও ইফতারে তাই অন্যান্য
শরীরের ভিতরের কোনও দুর্বলতার জন্য অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। দৈনন্দিন কার্যক্রম যদি প্রচণ্ড ঘামের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। অতিরিক্ত গরম বা রোদে বেশি
তাপমাত্রা বাড়ছেই। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। আর এই প্রচণ্ড গরমে রোজা রাখার কারণে স্বাভাবিকভাবেই পানিশূন্যতার সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোজায় সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে এই
সারাদিনের ক্লান্তি কাটানোর উপযুক্ত চাবিকাঠি ঘুম। অনেকেই ঘুমাতে ভারোবাসেন বলে নানান কটাক্ষের শিকার হন! তবে জানেন কি স্রেফ পর্যাপ্ত ঘুমালে কেটে যায় বহু ধরনের শারীরিক জটিলতা? বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, প্রতিদিব ৭
বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল উষ্ণতম মাস বলা হলেও আসলে চৈত্র মাসের শুরু থেকেই গরম পড়তে শুরু করে। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে গরমের সঙ্গে সঙ্গে এই সময় নানা ধরণের রোগব্যাধিও বাড়তে দেখা
প্রত্যেক ব্যক্তি প্রতিদিনের ভিত্তিতে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার লক্ষ্য তৈরি করে। ক্যালোরি, প্রোটিন, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার সবসময় আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সুপার ফুড হিসেবে যদি কিছু চান, তাহলে ডায়েটে রাখুন
ভ্যাপসা গরম ক্রমশ বাড়ছেই। এ সময় ছোট-বড় সবাই ভুগতে পারে পেটের অসুখে। বিশেষ করে শিশুরা মারাত্মক ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। তাই সাবধান হওয়া উচিত এখনই। ডায়রিয়া একটি খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ।
পৃথিবীতে ১৫০ মিলিয়ন মুসলিম নর-নারী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এদের মধ্যে বিশাল সংখ্যক ডায়াবেটিস রোগী রমজান মাসে রোজা রাখছেন। কারও কারও রোজা রাখায় কোনো ঝুঁকি না থাকলেও অনেকের ক্ষেত্রে রোজা রাখায় জীবনের
ইদানিং গরমটা বেশ ভালোই পড়েছে। মাথার ওপর কড়া রোদ। বাইরে বের হওয়ার কথা শুনলেই গায়ে ফোসকা পড়ছে যেন। তবে কর্মক্ষেত্রে যেতে কিংবা বিভিন্ন কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বেরোতেই হয়। কাজ