জীবনের কোনো না কোনো সময় প্রায় প্রত্যেক মানুষ ঘাড়ব্যথায় ভুগে থাকেন। ঘাড়ে যে কোনো কারণে ব্যথা হতে পারে। কম বয়সীদের ব্যথার প্রধান কারণ হলো- muskuloskeletal pain. যদি কেউ দুর্ঘটনাজনিত কারণে
সাধারণত সব কোষ সুবিন্যস্ত পদ্ধতিতে বিভাজিত এবং কোষকলার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে। অবিন্যস্ত ও অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনে অস্বাভাবিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোষকলার পি- হলো টিউমার। এটি দুধরনের- বিনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট।
শিশুর শরীরের যে অংশ ডায়াপার অর্থাৎ জাঙ্গিয়া বা ল্যাঙটি দিয়ে ঢাকা থাকে, সেই অংশে যে অ্যাকজিমা হয়, তার নাম ডায়পার অ্যাকজিমা। লক্ষণ : সংশ্লিষ্ট অংশের ত্বক লালচে হয়ে যায়, তার
টনসিল হলো- মুখগহব্বরের অভ্যন্তরে গলার একদম উপরিভাগের কিছু মাংসপিণ্ড ,যা লিম্ফ টিস্যু দিয়ে গঠিত। এটি চারটি গ্রুপে থাকে। জিহ্বার পেছনে থাকে লিঙ্গুয়াল টনসিল, গলার দুপাশে প্যালাটাইন টনসিল এবং নাসারন্ধ্রের পেছনে
ক্যালসিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। এটি শক্তিশালী হাড় এবং দাঁতের গঠনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তা ছাড়া এটি হার্ট এবং শরীরের অন্যান্য পেশীগুলোর কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই
ডিমেনশিয়া বা ভুলে যাওয়া শুধু একটি রোগের লক্ষণ নয়, এর সঙ্গে মস্তিষ্কের অন্যান্য কার্যক্ষমতা লোপ পাওয়ার লক্ষণগুলোও প্রকাশ পায়। ভাষা ও আচরণগত সমস্যা, ব্যক্তিত্বের সমস্যা, বুদ্ধিমত্তার লোপ, মনোবৈকল্য ইত্যাদি লক্ষণ
যারা এখনই সন্তান নিতে চাইছেন না, আবার নিয়মিত কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (যেমন পিল বা কনডম) ব্যবহারেও অনীহা, তাদের জন্য ন্যাচারাল মেথড একটি উপায় হতে পারে। এটা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক
প্রকৃতিতে শীত ঋতু আসন্ন। শিশু থেকে সব বয়সি মানুষ এই সময়ে ঠান্ডা-শর্দিতে ভোগেন। অনেকের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। শীতকালে শ্বাসকষ্ট বাড়ার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন পান্থপথের অ্যালার্জি ও
রক্তশূন্যতা কোনো রোগ নয়। অসংখ্য রোগের লক্ষণ। পৃথিবীর শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ রক্তশূন্যতায় ভুগে থাকেন। বিশ্বজুড়ে ৬০ কোটি মানুষ আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতায় ভুগছেন। তাই বলা যায়, রক্তশূন্যতা একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্যগত
প্রেমের ব্যাপারে শোনা যায়, প্রথম প্রেম নাকি সারাজীবনেও ভোলা যায় না। আবার অনেকে মনে করেন, প্রেমে যদি জোর থাকে, তাহলে দ্বিতীয়, তৃতীয় প্রেমও ভোলা খুব কষ্ট। তবে এই পুরোনো প্রেম