শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

ফর্সা হওয়ার ক্রিম মাখলে যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৫০ বার

ত্বকের ফর্সা রঙের জন্য অনেকেই হাহাকার করেন। পারিপার্শ্বিক অবস্থার জেরে ছোটবেলা থেকে গায়ের রঙ ফর্সা করার মনোভাব থাকে অনেকের মধ্যেই।

 

এজন্য ফর্সা হওয়ার ক্রিম মাখতে শুরু করে অনেক কিশোর-কিশোরী। শুরুতে ত্বক কিছুটা পরিষ্কার লাগলেও লাগাতার মাখতে থাকলে মুখে কালচে ছোপ পড়ার পাশাপাশি মুখে, গলায়, হাতে বিভিন্ন রকমের অ্যালার্জি, র‍্যাশ, ব্রণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক শুকিয়ে গিয়ে নিষ্প্রাণ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। অন্তত ত্বক বিশেষজ্ঞরা সে কথা বলছেন।

 

বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, ফর্সা হওয়ার ক্রিমে মার্কারি, লেড, স্টেরয়েড, নানান প্রিজার্ভেটিভসহ অজস্র রাসায়ানিক থাকে; যা আমাদের ত্বকের জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকর। এজন্য ত্বক বিশেষজ্ঞরা ক্রিম মাখা বন্ধের কথা বলেন।

 

তার পরেও ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্বের বৃহত্তম বিপণন গবেষণা জার্নাল ‘রিসার্চ অ্যান্ড মার্কেটস’-এ প্রকাশিত গবেষণার ফলে বলা হয়েছে, ২০২৩ নাগাদ কেবল ভারতে ফেয়ারনেস ক্রিমের ব্যবসা বেড়ে দাঁড়াবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

 

প্রত্যেক মানুষ আলাদা আলাদা ত্বকের রং নিয়ে জন্মায়। পৃথিবীর কোনো ক্রিম বা লোশনের সাধ্য নেই সেই রংকে ফর্সা করে দেওয়ার। প্রত্যেক মানুষ যে রং নিয়ে জন্মেছে, সেই রং ফর্সা করা যায় না। তবে ত্বকের রং সূর্যের অতিবেগনি রশ্মির প্রভাবে কালচে হয়ে যায়। ফর্সা হওয়ার ক্রিম মাখলে কালো হওয়া আটকানো যায় না।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বক আমাদের শরীরের সব থেকে বড় অঙ্গ । ত্বকের তিনটি স্তর বা লেয়ার আছে। একদম উপরে ডার্মিস, তার পরে এপিডার্মিস আর এর নিচে সাব কিউটিস। একেবারে অভ্যন্তরের স্তর বেসাল লেয়ার।

 

আরো সহজ ভাষায় বললে, এখানেই আছে রং তৈরির ফ্যাক্টরি। আসলে ত্বকের এই স্তরে আছে মেলানোসাইট কোষ। এরা ‘মেলানিন’ নামে এক রঞ্জক পদার্থ তৈরি করে। যার ত্বকে মেলানিন যত বেশি, তার শরীর তত বেশি কালো। মেলানিন কম থাকলে ফর্সা আর একদম না থাকলে শ্বেতী।

 

কালো রঙের জন্য মেলানিনকে দায়ী করা হলেও মেলানিনের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। আমাদের মতো দেশে ত্বককে সূর্যের অতিবেগনি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করা ত্বকের রঞ্জক পদার্থ মেলানিনের অন্যতম কাজ।

 

ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেলানিন থাকার ফলে আমাদের ত্বক কালো দেখায় বটে, কিন্তু মেলানিন থাকার জন্য আমাদের ত্বকের ক্যান্সারের প্রবণতা ও সানবার্ন-এর ঝুঁকি অনেক কম থাকে। তুলনামূলকভাবে ধবধবে ফর্সা ত্বকের অধিকারী শ্বেতাঙ্গদের ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি।

 

যারা নিয়মিত ফর্সা হওয়ার ক্রিম মাখেন, তাদের চোখে জ্বালা থেকে শুরু করে নানা রকম অসুবিধা হতে পারে। মার্কারি থেকে ত্বকের ক্ষতির পাশাপাশি সফট টিস্যুরও সমস্যা হয়।

 

এমনকি ত্বকের ক্যান্সারের শঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কালো হওয়া আটকাতে নিয়মিত সানস্ক্রিন লাগানো সব থেকে ভালো সমাধান। সুস্থ সুন্দর ঝকঝকে ত্বকের জন্য পরিচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও জরুরি। সূত্র: মেডলাইফ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com