সংবাদ শিরোনামটি বেশ উপভোগ্য : ‘রাতের আঁধারে কাবুল ছাড়ল যুক্তরাষ্ট্র।’ বলতে হয় একরাশ রাজনৈতিক লজ্জা আর অপমান মাথায় নিয়ে আফগানিস্তানে দীর্ঘ বিশ বছরের যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটাল পেন্টাগন। দুর্ভাগ্য ডেমোক্রেট দলের
নদীমাতৃক দেশ হিসেবে আমাদের পরিবেশ অর্থনীতি, যোগাযোগ উন্নয়ন বলতে গেলে সব কিছুই নদীনির্ভর। এ দেশে জালের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শত শত নদীর প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত
পরীক্ষায় পাস করা মেধা এবং প্রকৃত জ্ঞানচর্চার মধ্যে যে আসলেই বড় পার্থক্য রয়েছে, তার প্রমাণ আমরা দেশে এবং পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই দেখতে পাই। যারা জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত তাদের অনেকেরই একাডেমিক রেকর্ড
আফগানিস্তান সম্বন্ধে লিখতে গিয়ে প্রথমে আসে আমেরিকার কথা। আমেরিকা সরকারকে বাদ দিয়ে আফগানিস্তান সম্বন্ধে লেখা যায় না। বর্তমান আফগানিস্তানকে ঘিরে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক মেরুকরণ শুরু হয়েছে; সেটিই স্বল্প পরিসরে তুলে
চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসন করতে না পারলে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আসবে না। অথচ এ নিয়ে সরকারের দিক থেকে কোনো আলোচনা নেই। সব আলোচনা এখন কেন্দ্রীভূত করোনা, পরীমনি, চার দশক
স্কুল-কলেজ এখনই খুলছে না, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান সাধারণ ছুটি ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। কিন্তু করোনার সংক্রমণ এখন কমতির দিকে। মনে হচ্ছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শেষপর্যায়ে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না
ভ্যাকসিন কারা কারা নিতে পারবেন- এ নিয়ে আমাদের মধ্যে যেমন প্রশ্ন আছে, তেমনি ভ্যাকসিন নিয়ে কিছু ভ্রান্ত ধারণাও আছে। সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে একটা পোস্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে। তা বলছে-
সময় খুবই কঠিন তালেবানের জন্য। যুদ্ধবিধ্বস্ত ও রাজনৈতিক সংঘাতের ভেতর আফগানিস্তানে সব থেকে জরুরি বিষয় হচ্ছে সরকার গঠন। কিন্তু ১৫ আগস্টে রাজধানী কাবুলের দখল নেওয়ার পরও তালেবান নেতৃত্ব সরকার গঠন
আফগানিস্তানের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশি সৈন্য ও সাধারণ মানুষ কাবুলে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আফগানিস্তানের জনগণ ওই সময় বাংলাদেশিদের
‘এক চোর যায় চলে, এই মন চুরি করে…’- এমন গান শুনতে আমাদের ভালোই লাগে। কারণ এসব গানে চুরির বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে হাসি, তামাশা আর রোমান্টিসিজমের আবরণে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বাস্তবে