আরো ১১টি কেন্দ্রে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ১৭ কেন্দ্রে পিসিআর মেশিনে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা হচ্ছে। এর সাথে ঢাকায় আরো ৫টি এবং ঢাকার
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। তাই সকলেই এখন গৃহবন্দী। তাতে তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের মানসিক চাপ। মহামারির এই সময়ে মানসিক শক্তি খুব জরুরি। লকডাউনের এই সময়টা হয়ে উঠতে পারে
বিশ্বব্যাপী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। ছোঁয়াচে হওয়ায় এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে মানুষকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের (এইচকেইউ) একদল গবেষক
নভেল করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার নিয়ে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার মধ্যে আশা-নিরাশায় দোল খাচ্ছে কোটি কোটি মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্ন। আকস্মিক এই অণুজীবের আক্রমণে দিশেহারা সবাই। পৃথিবীর যেসব দেশ বিজ্ঞান গবেষণায়
অনেকর ধারণা সংক্রমণ রোগের প্রকোপ মৌসুম বা ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে কমে যায়। অনেক রোগ শীতের মৌসুমে দেখা দেয়, যেগুলো আবার গরম শুরু হলে চলে যায়। টাইফয়েডের মতো অনেক রোগের শীর্ষ
করোনাভাইরাসে পুরো বিশ্ব কুপোকাত। করোনাভাইরাস নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া কয়েকটি সাধারণ প্রশ্নের একটি হলে শারীরিক মিলনে কী করোনাভাইরাস ছড়ায়? মনে এমন প্রশ্ন ঘুরলেও যারা মুখ ফুটে কাউকে জিজ্ঞাসা করতে পারছেন
করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে অসংখ্য ভ্রান্ত ধারণা, যা ইতিমধ্যেই মানুষকে ফেলেছে বিপাকে। আবার এসব গুজবে কান দিয়ে প্রাণও দিয়েছে বেশ ক’জন। যেহেতু করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কোনো প্রতিষেধক এখনো তৈরি
করোনাভাইরাসে তরুণদের চেয়ে প্রবীণদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তাই বাড়ির প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি সবচেয়ে বেশি যত্ন নিতে হবে। চিকিৎসকরা বলছেন, করোনার সংক্রমণের এই সময়ে
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীসহ পাশের বিভিন্ন এলাকায় গুজব ছড়িয়েছে যে, সদ্যোজাত এক শিশু বলেছে, ‘তোমরা আদা, গোলমরিচ, কালোজিরা আর লবঙ্গ একত্রে খাও। এতে করোনাভাইরাস সংক্রামণ হবে না।’ এই কয়েকটি কথা উচ্চারণ করেই
হঠাৎ করে দেখা দিলো জ্বর, সর্দি, কাশি। ভাবছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর এ জন্য ছুটে যাবেন হাসপাতালে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর, সর্দি, কাশি হলে প্রথমেই হাসপাতালে যাওয়ার দরকার নেই। করোনাভাইরাস খুবই