নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও নাগরিকপঞ্জী বাংলায় কার্যকর হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, এই আইনের প্রতিবাদে পরপর তিন দিন মিছিলে হাঁটবেন বলেও জানান
নেদাল্যান্ডের দ্য হেগ শহরে চলছে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালানোর দায়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম। পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া এই গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারকে আদালতে নিয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় হেগ
কৃত অপরাধের জন্য মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও তার সেনা অধিনায়কদের ফৌজদারি বিধিতে জবাবদিহির দাবি জানিয়েছেন শান্তিতে সাত নোবেল বিজয়ী। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন ‘শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হিসেবে আমরা নোবেল
রোহিঙ্গাসহ সংখ্যালঘু নিপীড়নের জন্য মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ শীর্ষ চার সামরিক কর্মকর্তার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরা হলেন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং, সেনাবাহিনীর উপপ্রধান
ইরান ও সৌদি আরব আগামী বছরের হজের বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। রিয়াদে রোববার আলাপ-আলোচনা শেষে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ সালেহ বিন তাহের বেনতেন এবং ইরানের
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের শুনানির প্রথম দিন মিয়ানমারকে কাণ্ডজ্ঞানহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়েছে গাম্বিয়া। শুনানিতে গাম্বিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেশটির আইন ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু বলেছেন, ‘গাম্বিয়া
নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে(আইসিজে) মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের বিচার। তিনদিন চলবে মামলার শুনানি। পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার শুনানিতে অংশ নিতে মিয়ানমারের
একসময় তাকে সর্বজনীন মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা রূপে দেখা গিয়েছিল। তিনি এমন একজন যিনি কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারের সামরিক শাসক জেনারেলদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নিজের স্বাধীনতা ত্যাগ করেছিলেন। ১৯৯১ সালে “দ্য লেডি” খ্যাত
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে তোলপাড় ভারতের আসামে। এই বিক্ষোভ উত্তরপূর্বের অন্যান্য রাজ্যের ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ ইতোমধ্যেই মঙ্গলবার ১১ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিয়েছে নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস অরগানাইজেশন-এনইএসও। সোমবার
রোহিঙ্গা গণহত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় গাম্বিয়াকে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকার দুটি প্রভাবশালী দেশ। কানাডা ও নেদারল্যান্ড ঘোষণা করেছে তারা এই মামলায়