১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল ‘গণযুদ্ধ’। এখানে ‘প্রফেশনাল’ যুদ্ধের শর্ত পূরণ করে ‘অ্যাকশনে’ যাওয়া হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের সব অ্যাকশন ছিল গেরিলা পদ্ধতির। সাধারণ মানুষ ব্যাপকভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। কৃষক, জেলে, তাঁতি, কামার,
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরদিন একজন প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়াকে কোনো স্বাভাবিক বিষয় বলে মনে করা কঠিন। সংশয় আর উত্তেজনা যেন পিছু ছাড়ছেই না। সংশয় নির্বাচন নিয়ে আর উত্তেজনা রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে। এতদিন
বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। হাসপাতালে শয্যাশায়ী। দেশবাসীর চোখ সেদিকে নিবদ্ধ। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে রাতদিন জটলা নেতা-কর্মীদের। নেত্রীর দেখা পাবে না জেনেও সারা দেশ থেকে লোকজন ছুটে আসছে হাসপাতালের
আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। চলবে প্রায় মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত। একসময় বোনা আমনের প্রাধান্য ছিল বেশি। ধান কাটা প্রায় শেষ হয়ে যেত নভেম্বরেই। বর্ষায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে
এই ভূখণ্ডের ইতিহাস আর তরুণ বিদ্রোহ সমান বয়সী। কিন্তু আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহেলিকা হলো, এখানকার তরুণেরা কখনো ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেননি। বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও তাঁরা কোনো বড়
বাংলাদেশের রাজনীতি একটি নতুন সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পলায়ন আওয়ামী লীগকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। শুধু শেখ হাসিনা নয়, সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রধান
রাজনৈতিক দলগুলো যখন নিজেদের ভেতর একধরনের টানাপোড়েন ও আস্থাহীনতার সংকটে ভুগছে, তখন জুলাই সনদের মধ্য দিয়ে একটি ঐকমত্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া আমাদের জন্য আশার আলো দেখায়। প্রস্তাবিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংস্কার,
অগণিত মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্যের পর এবার পর্দায় দেখা গেল আনন্দের ছবি। সে ছবি যেন কিছুটা স্বস্তি এনে দিল। বৃহস্পতিবার বিশ্বজুড়ে টেলিভিশনের পর্দা দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেল। এক ভাগে
আনুপাতিক হারে ভোটের (পিআর) দাবি সামনে এনে জামায়াতে ইসলামী মাঠে আন্দোলনে নেমে বিএনপি নেতাদের ব্যস্ত রাখলেও নিজেরা বর্তমান পদ্ধতিতেই নির্বাচনী প্রস্তুতিতে এগিয়ে আছে। দেশের নির্বাচনী আসনের প্রায় সব কটিতে তারা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সম্প্রতি ডিম নিক্ষেপ একটি আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপ ও তাসনিম জারাকে নোংরা গালাগাল করার ঘটনা শুধু একটি তাৎক্ষণিক বা বিচ্ছিন্ন বিতর্কের