এই ভূখণ্ডের ইতিহাস আর তরুণ বিদ্রোহ সমান বয়সী। কিন্তু আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহেলিকা হলো, এখানকার তরুণেরা কখনো ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেননি। বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও তাঁরা কোনো বড়
বাংলাদেশের রাজনীতি একটি নতুন সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পলায়ন আওয়ামী লীগকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। শুধু শেখ হাসিনা নয়, সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রধান
রাজনৈতিক দলগুলো যখন নিজেদের ভেতর একধরনের টানাপোড়েন ও আস্থাহীনতার সংকটে ভুগছে, তখন জুলাই সনদের মধ্য দিয়ে একটি ঐকমত্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া আমাদের জন্য আশার আলো দেখায়। প্রস্তাবিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংস্কার,
অগণিত মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্যের পর এবার পর্দায় দেখা গেল আনন্দের ছবি। সে ছবি যেন কিছুটা স্বস্তি এনে দিল। বৃহস্পতিবার বিশ্বজুড়ে টেলিভিশনের পর্দা দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেল। এক ভাগে
আনুপাতিক হারে ভোটের (পিআর) দাবি সামনে এনে জামায়াতে ইসলামী মাঠে আন্দোলনে নেমে বিএনপি নেতাদের ব্যস্ত রাখলেও নিজেরা বর্তমান পদ্ধতিতেই নির্বাচনী প্রস্তুতিতে এগিয়ে আছে। দেশের নির্বাচনী আসনের প্রায় সব কটিতে তারা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সম্প্রতি ডিম নিক্ষেপ একটি আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপ ও তাসনিম জারাকে নোংরা গালাগাল করার ঘটনা শুধু একটি তাৎক্ষণিক বা বিচ্ছিন্ন বিতর্কের
রাজধানী ঢাকার মগবাজার থেকে একটি রাজনৈতিক দলের মিছিল যাচ্ছে বাংলামোটরের দিকে। রিকশাচালককে বললাম রাস্তার পাশে অপেক্ষা করতে। মিছিল থেকে ভেসে আসছে স্লোগান- ‘পিআর ছাড়া নির্বাচন/মানি না, মানব না’। রিকশাচালক গামছা
বাংলাদেশসহ আশপাশের দেশগুলোয় নাটকীয়ভাবে রাজনীতির মোড় বদল ঘটছে। এ রকম পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে যুক্ত করে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলিকে পাঠ করা জরুরি। বিশেষ করে উচ্চতর বিদ্যাপীঠে শিক্ষার্থীদের ইউনিয়নগুলোর নির্বাচন এবং তার মধ্যেই
কে পি শর্মা অলি যখন হেলিকপ্টারে করে পালাচ্ছিলেন; পাবলিকের দাবড়ানি খাওয়া মন্ত্রীদের যখন সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারে করে ‘নিরাপদ জায়গায়’ নিয়ে যাচ্ছিল; গুলিতে নিহত আন্দোলনকারীদের স্বজন-সহযোদ্ধারা যখন প্রচণ্ড আক্রোশে এমপি-মন্ত্রী-আমলাদের বাড়িঘরে আগুন
জার্মানির ছোট্ট শহর হ্যামিলনের কথা সবার নিশ্চয়ই জানা। ইঁদুরের উৎপাত থেকে শহরটির মানুষকে মুক্তি দিতে যেখানে একজন বাঁশিওয়ালার আবির্ভাব ঘটেছিল। যিনি তার বাঁশির মোহিনী শক্তিতে সব ইঁদুর সাগরে ডুবিয়ে মেরেছিলেন।