উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ব্যাপারটি প্রতিবছরের মতো এবারও সামনে চলে এলো। পরীক্ষা না নিয়েই কোবিড-১৯ কালে উচ্চমাধ্যমিক পাসের সার্টিফিকেট পাবে পরীক্ষার্থীরা। সারা পৃথিবীর এই ক্রান্তিকালে এমন সিদ্ধান্ত বাধ্য হয়েই নিয়েছে শিক্ষা
আমাদের বিজয় দেখতে দেখতে অর্ধশতক ছুঁতে যাচ্ছে। একাত্তরে যারা বিজয় দেখেনি অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী প্রজন্মের কথা বলছি, তাদের অনুভূতিতে এ বিজয়ের তাৎপর্য, অনুভূতি, উত্তেজনা বা আনন্দ কতটা তা এখন অনুভব করা
আমাদের দেশে কোনো একটা বিশেষ ইস্যু বা সমস্যা সামনে চলে এলে অন্য সব সমস্যা আড়ালে চলে যায়। এ বছর যেমন চাপা পড়ে গেছে ডেঙ্গু ইস্যু। বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়লেও
২০১৭ সালের জানুয়ারি। ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন সবে ক্ষমতা নিয়েছেন। তার ক্ষমতা গ্রহণের আগে থেকেই আমেরিকায় এবং এর বাইরে একটা আলোচনা কিছুটা মাথাচাড়া দিচ্ছিল। নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে যা
কার্ল মার্কস ও ফেড্রিক এঙ্গেলস তাদের রচিত ‘কমিউনিস্ট ইশতেহার’ শুরু করেছিলেন এই প্রথম বাক্যটি দিয়ে- ‘ইউরোপ ভূত দেখেছে, কমিউনিজমের ভূত!’ ইউরোপের সর্বত্র সবকিছুতেই ‘কমিউনিজমের’ ছায়া খুঁজে পাওয়া তখন একটি ফ্যাশন
একটি বিশ্বমারীর (Pandemic) শেষ কোথায়? উত্তরটা আসলে কারোই জানা নেই। এর আগে ১৯২০ এ এসেছিল স্প্যানিশ ফ্লু, ১৮২০ এ কলেরা, ১৭২০ এ প্লেগ। শতবর্ষী মহামারীর এক অদ্ভুত চক্রের একবিংশ শতাব্দীর অনুপ্রবেশকারী প্রতিনিধি
মার্কিন নির্বাচনের ১২০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষ এবার ভোট দিয়েছে। এই ভোটদান হলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থার পরিচায়ক। মোট ১৬ কোটি মানুষ এবার নির্বাচনে ভোট দিয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত
কোথায় যাচ্ছে পৃথিবী? আর পৃথিবীতে বাস করা মানুষগুলো? চারদিকে কি দেখছি? কি শুনছি? মাথা গুলিয়ে যায়। চোখ আপনা আপনি ঝাপসা হয়ে উঠে। এক ঘটনাকে টেক্কা দেয় আরেক ঘটনা। যেন মধ্য
জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ এনে কিংবা জেনারেটর চালু করে বাইরের অন্ধকার দূর করা যায়। কিন্তু মানুষের মনের অন্ধকার দূর করা কঠিন। জাতীয় সংসদের সদস্য হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সংবিধান রক্ষার শপথ
একাত্তরের সংযোগে যা কিছু অর্জন এবং তার সূত্রে যা কিছু হয়েছে ও হয় সেগুলোর গুরুত্ব, তাৎপর্য বাংলাদেশের জন্য ভিন্ন মাত্রা বহন করে। কিছু কিছু দিবস পালন গতানুগতিক হলেও একাত্তর সম্পর্কিত