ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী অঞ্চলের আম ও লিচু নিয়ে সঙ্কটে পড়তে যাচ্ছেন রাজশাহী অঞ্চলের চাষি ও ফল ব্যবসায়ীরা। এটি বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে সাধারণত ট্রেন, ট্রাক ও কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করলেও করোনা পরিস্থিতিতে প্রায়
বাজেট ঘাটতি মেটাতে আগামী অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ সহায়তা চাইছে সরকার। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার কাছ থেকে আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৪৫০ কোটি ডলার সহায়তা চাওয়া হয়েছে। টাকার মানে
আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে রেমিট্যান্সপ্রবাহ। বিগত এপ্রিল মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কম এসেছে প্রবাসী আয়। আরো কমার আশঙ্কা করা হচ্ছে এ আয় । এমনি পরিস্থিতিতে
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জারি করা লকডাউন বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ থেকেই ধীরে ধীরে তুলে নেয়া হচ্ছে। এর পেছনে একটা কারণ হলো, দেশগুলোর অর্থনীতি যাতে আবার স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারে। অর্থাৎ লকডাউন
করোনার বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় দ্রুত ৭০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড় করতে আইএমএফকে অনুরোধ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আরসিএফের (র্যাপিড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি) আওতায় এ ঋণ ব্যালান্স অব পেমেন্টের
করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে দেশে কার্যত যে লকডাউন চলছে, এতে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে আম-বাণিজ্য। এবার লম্বা সময় ধরে শীত থাকায় এবং মার্চের মাঝামাঝি সময়ে বৃষ্টির কারণে গত বছরের তুলনায় এবার
সাধারণ মানুষের জন্য তুলনামূলক কম দামে পণ্য বিক্রি করা সরকারি বিপণন সংস্থা-টিসিবি আগামী শনিবার থেকে ২৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেন,
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় দুই মাসে ব্যাংকের আয় স্থগিত হয়ে যাবে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এই দুই মাসে আমানতকারীদের মুনাফা পরিশোধ করতে হবে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। দুই
করোনাভাইরাসের কারণে সরকারের রাজস্ব আদায় তলানিতে নেমে গেছে। সঞ্চয়পত্র থেকেও কাঙ্ক্ষিত ঋণ পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ব্যয় ঠিক রাখতে সরকারের ব্যাংকব্যবস্থার ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা বেড়ে যাচ্ছে। সরকার বিভিন্ন ব্যয়
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই কারখানা খোলা রাখতে গিয়ে নানামুখী চাপের মুখে পড়ছেন তৈরিপোশাক শিল্পখাতের উদ্যোক্তারা। তীব্র জনরোষের পাশাপাশি, শ্রমিক সংগঠনগুলোর চাপ এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদেরকে। তা ছাড়া