ঋণখেলাপি হওয়ার পর থেকে এক টাকাও পরিশোধ করেননি প্রায় চার হাজার ৬০০ ঋণখেলাপি ও তাদের প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ব্যাংকগুলো পাওনা রয়েছে প্রায় সাড়ে ৩৭ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ পরিশোধ
ছয় মাস ১২ দিনে সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে ৫১ হাজার কোটি টাকা। যেখানে পুরো বছরের ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ছয় মাস ১২
সরকারি টাকা বেসরকারি ব্যাংকে রাখলে বেশি সুদ দেয়া হবে। সুদহার নির্দিষ্ট করে সরকারের নিজস্ব অর্থের ৫০ শতাংশ বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাখার বিধান এবং সুদ হার নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে
হঠাৎ ফুলে ওঠেছে দেশের পুঁজিবাজার। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস গতকাল রোববার সাত বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় উত্থান হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজার উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, সরকারি
এক দিকে কমছে রাজস্ব আদায়, অন্য দিকে বাড়ছে সরকারের ব্যাংক ঋণ। রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ার কারণে এমন অবস্থা হয়েছে, সরকার পুরো অর্থবছরের জন্য ব্যাংক খাত থেকে যে ঋণ নেয়ার লÿ্যমাত্রা
শর্তের বেড়াজালে পড়ে গেছে ব্যাংক ঋণের এক অঙ্কের সুদ। প্রায় দেড় বছর আগে আমানতের ৬ ও ঋণের সুদ ৯ শতাংশ ঘোষণা করা হয়েছিল। এর বিপরীতে প্রায় ডজন খানেক সুবিধা আদায়
অস্বাভাবিক হারে কমছে শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি। একই সাথে কমছে রফতানি আয়। রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ায় ও কাঙ্খিত হারে বৈদেশিক মুদ্রা অবমুক্তি না হওয়ায় বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ব্যাংক
দেশের রফতানি বাণিজ্যে নেতিবাচক পরিস্থিতি অব্যাহত আছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি কমেছে ৬ দশমিক ২১ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ামকের ভূমিকা পালন করেছে
বিদ্যুৎ না নিয়েই পাঁচ বছরে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোক্তাদের বিল পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিল পরিশোধ করা হয়েছে গত অর্থবছরে ৮ হাজার ৭২২
১৭ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতির মুখে পড়েছে ১২টি সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। এর মধ্যে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকই সাতটি। জনগণের অর্থে গত কয়েক বছরে দফায় দফায় মূলধনের জোগান