বাইডেন প্রশাসন আমেরিকানদের দ্রুত রাশিয়া ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। পেন্টাগনের এমন সিদ্ধান্তে অন্য কোনো ইঙ্গিত থাকতে পারে বলে মত দিচ্ছেন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ। তবে এর জন্য রাশিয়ায় অবস্থিত আমেরিকান দূতাবাস রাশিয়ার
যুক্তরাষ্ট্র রোববার তাদের আকাশ থেকে আরেকটি ‘অজ্ঞাত বস্তু’ গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এবার কানাডা সীমান্তের কাছে লেক হুরনের ওপর বস্তুটি অবস্থান করছিল। একটি এফ-১৬ বিমানের সাহায্যে সেটি ভূপাতিত করা হয়।
ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের প্রথম বছর পূর্তির প্রাক্কালে সমর্থক দেশগুলো জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদে একটি (খসড়া) রেজ্যুলেশন পেশ করেছে। যাতে ইউক্রেনের ‘সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, ঐক্য ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা’ নিশ্চিত করে শান্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার তাদের আকাশ থেকে একটি ‘বস্তু’কে গুলি করে ভূপাতিত করেছে। বস্তুটি কানাডা সীমান্তের কাছে আর্কটিক সাগরের হিমশীতল পানিতে পড়েছে। তবে এটি সম্প্রতি গুলি করে ভূপাতিত করা চীনা বেলুনের
আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের বরফাচ্ছাদিত অঞ্চলের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে গুলি করে একটি বস্তু ভূপাতিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। উত্তর মহাসাগরের জলরাশির ওপর বরফাচ্ছাদিত ঘটনাস্থলটি কানাডা সীমান্তের একেবারে কাছে। এজন্য কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে বিষয়টি
সম্প্রতি আমেরিকার উপর দিয়ে উড়েছে চীনের গোয়েন্দা বেলুন। মার্কিন নিরাপত্তা বাহিনী সেই বেলুনটি গুলি করে ধ্বংস করে দেয়। আমেরিকার দাবি, বেলুনটিতে অত্যাধুনিক নজরদারির যন্ত্রপাতি ছিল। বেশ কয়েকটি অ্যান্টেনা ছিল। এই
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গতকাল বুধবার বলেছেন, গত সপ্তাহে চীনের একটি বেলুন গুলি করে ভূপাতিত করা নিয়ে দু’দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র আপাতত চীনের সাথে সঙ্ঘাতে জড়াতে
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইউক্রেনকে দীর্ঘমেয়াদে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মঙ্গলবার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানকে অ্যামেরিকার জন্য, বিশ্বের জন্য ‘পরীক্ষা’
কোভিড পরিস্থিতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামলাতে বিরোধী রিপাবলিকানদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, রিপাবলিকান বন্ধুদের বলতে চাই, যদি আমরা বিগত কংগ্রেসে একসঙ্গে কাজ
নতুন একটি সামরিক চুক্তিতে সই করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ফিলিপাইন। এর মাধ্যমে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি ও স্বাধীনতা রক্ষা করবে বলে দেশ দুইটি আশা করছে। খবর বিবিসির। তবে এই চুক্তির মূল