শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
নিউইয়র্ক

আল আকসা চাইনিজ টানতে পারছে না ভোজন বিলাসীদের

ব্রংকস পার্কচেষ্টারের আল আকসা চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট টানতে পারছে না ভোজনবিলাসীদের । কাষ্টমারদের রেটিংও সন্তোষজনক নয়। সন্ধ্যার পর প্রতিদিন রেষ্টুরেন্টে হাতেগোনা কয়েকজন কাষ্টমার দেখা গেলেও সারাদিন বিরানভূমি। শুক্র ও শনিবার কিছু

বিস্তারিত...

সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশির বনভোজন

সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশি কমিউনিটির বনভোজন গত ১০ সেপ্টেম্বর রোববার বঙ্কসের ফেরী পয়েন্ট পার্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সিনিয়র বাংলাদেশি ও আমেরিকান নাগরিকরা। পবিত্র কোরআন তেওয়ালাদ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম, গীতা পাঠ করেন কবি সুধাংশু কুমার মন্ডল, বাইবেল পাঠ করেন ইসটন টিটু কুইয়া। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ (সভাপতি) সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশি কমিউনিটি এর সভাপতিত্বে লিয়াকত আলী, সুধাংশু কুমার মন্ডল ও রেজা আব্দুল্লাহ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশি কমিউনিটির বনভোজন কমিটি ২০২৩ এর আহ্বায়ক ছিলেন সাইফুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব মোঃ আঃ কাইয়ুম, জীবন বিশ্বাস, হুমাযুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম, তৌহিদুল ইসলাম ও খবির উদ্দিন ভূঁইয়া। উপদেস্টা মন্ডলীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হালিম মুন্সি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী বশির উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রজনী কান্ত রয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা  আবু কায়েস চিশতী, কর্পোরাল আব্দুল মতিন, কামাল উদ্দিন, আক্তারুজ্জামান হ্যাপি, বিল্লাল ইসলাম, কবি আবু তাহের চৌধুরী, সুবেদার সফিক উল্লাহ, নাসির উদ্দিন  চিনু চেয়ারম্যান, শ্যামল কান্তি চন্দ, আজিজুল হক । গ্রান্ড স্পন্সর ছিলেন আল মাছ আলী (ম্যানেজার) মার্কস হোম কেয়ার। প্রধান অথিতি ছিলেন ডা. আব্দুস সবুর ( সভাপতি ) বাংলাবাজার জামে মসজিদ, ব্রঙ্কস। সহযোগিতা করেন, ডাঃ রোমানা সবুর, এমডি বিল্লাল ইসলাম ( গোল্ডেন প্যালেস),  জাকির চৌধুরী সিপিএ, সুমন চৌধুরী ( ফোন ক্লাব), কামরুল হাসান ( হাসান ট্যাক্সি সার্ভিস), স্বপন তালুকদার (সুন্দরবন হালাল মিট ও গ্রোসারি), এমডি.এ মজিদ (বাংলা সুইটস, স্যানাকস এন্ড ক্যাটারিং সার্ভিস), এম ডি উদবা (ডেলিগেট সি.ডবলু. লোকাল ১১৮২), গোল্ডেন প্যালেস ক্যাটারিং সার্ভিস, দাদা হোম কেয়ার, ফ্যামিলি ফার্মেসি, ডাঃ মোহাম্মদ এইচ উদ্দিন, ডাঃ বাবলু কুমার বসাক, ডাঃ সুজনা আহম্মেদ, ঝঞ ঞবধপয, পার্কচেস্টার ব্রঙ্কস রিয়েলিটি ইনক, ইত্যাদি গ্রোসারী, নিরব রেস্টুরেন্ট, আল আকসা রেস্টুরেন্ট, এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুল, জাকির চৌধুরী সিপিএ আহাদ আলী সিপিএ, ঝঃধৎষরহম উরধমড়হংঃরপ, আল-আকসা রেস্টুরেন্ট, মদিনা গ্রোসারী, দাদা হোম কেয়ার, বিহঙ্গ প্রিন্ট। বিশেষ অথিতি হিসাবে ছিলেন প্রফেসর সৈয়দ জহির উদ্দিন আজাদ ( চেয়ারম্যান) প্রফেসর গ্লোবাল নেটওয়ার্ক, সালেহ উদ্দিন সাল (পার্কচেস্টার ব্রঙ্কস রিয়েলিটি ইনক), বখতিয়ার রহমান খোকন (নিরব রেস্টুরেন্ট), আব্দুর রহিম বাদশা (কমিউনিটি এক্টিভিস্ট), জালাল চৌধুরী (এবি হোম কেয়ার), কামরুল হাসান (হাসান ট্যাক্সি সার্ভিস), কামাল উদ্দিন ( সভাপতি) ব্রঙ্কস বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (বিবিএ), এ্যাডঃ মিয়া জাকির ( সভাপতি) হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ, নিউ ইয়র্ক শাখা, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর তফাদার (সিইও) মিলিনিয়াম টিভি, ছালে আহম্মদ মানিক (কমিউনিটি এক্টিভিস্ট), ডাঃ আব্দুল কাদের, বিজয় কৃষ্ণ সাহা, তোফায়েল আহম্মেদ চৌধুরী (উপদেস্টা) বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ ইনক, ব্রঙ্কস। সার্জেন্ট বিলাল উদ্দিন-এনওয়াইপিডি, সামাদ মিয়া জাকির (সভাপতি) বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস, মিয়া মোহাম্মদ দাউদ (সভাপতি) কুমিল্লা সোসাইটি অব ইউএসএ ইনক, আবুল খায়ের আকন্দ (সভাপতি) আন্তর্জাতিক বাংলাভাষা পরিষদ, যুক্তরাস্ট্র শাখা, এইচ এম মিজানুর রহমান (সাধারণ সম্পাদক) কুমিল্লা সোসাইটি অব ইউএসএ ইনক, মাইজুর রহমান জুয়েল (সাধারণ সম্পাদক) সম্মিলিত বরিশাল বিভাগবাসী ইউএসএ ইনক, সাখাওয়াত হোসেন উজ্বল (শাপলা ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েট নিউইর্য়ক ইনক), লিয়ন শেখ ( মেডিকেয়ার চয়েজ ), মোস্তাক আলম চৌধুরী (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান), আশ্রাব আলী মন্ডল (সাধারণ সম্পাদক) ওয়াটসন জামে মসজিদ, মোঃ আবু তাহের (সাধারণ সম্পাদক) প্যালাম বে নিউ আল মদিনা জামে মসজিদ। নাটকের অংশবিশেষ উস্থাপনা, কবিতা গানে অংশগ্রহনকারীদের আনন্দ মাতিয়ে রাখেন-কবি আবু তাহের চৌধুরী, এমডি সুবেদার ইব্রাহীম, আনোয়ার হোসেন খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ নাসির, বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, জীবন বিশ্বাস, হীরা লাল দাস।

বিস্তারিত...

অভিবাসীদের জন্য নিউইয়র্কভিত্তিক ওয়ার্ক ভিসা!

নিউইয়র্ক সিটির আশ্রয়প্রার্থীদের সমস্যাটি সামাল দিতে অভিবাসীদের জন্য কেবল নিউইয়র্কের জন্য ওয়ার্ক ভিসার সুপারিশ করছেন নিউইয়র্ক রাজ্যের আইনপ্রণেতারা। তবে তা কঠোর ফেডারেল অভিবাসন আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিউইয়র্ক সিটি এবং আলবানি স্থানীয় শেল্টার সিস্টেমে থাকা প্রায় এক লাখ ১০ হাজার অভিবাসীর বোঝা লাঘব করার জন্য বেপরোয়া চেষ্টা করছে। অভিবাসীদের জন্য তিন বছরে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। তাদের জন্য মিউনিসিপ্যাল সংস্থাগুলোকে তাদের বাজেটের ১২ ভাগ অর্থ কমাতে হয়েছে। রাজ্য অ্যাসেম্বিলওম্যান জেনিফার রাজকুমার, তিনি সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামসের ঘনিষ্ঠ, এক বিবৃতিতে বলেছেন, ফেডারেল সরকার ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু না করায় রাজ্যকেই নেতৃত্ব দিতে হবে, রাজ্যকেই কাজটি করতে হবে। তিনি বলেন, রাজ্যের অভিবাসী সঙ্কটের মালিকানা গ্রহণ করার সময় এসেছে। তিনি কেবল নিউইয়র্কের জন্য প্রযোজ্য হবে- এমন ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার সুপারিশ করেছেন। আর অন্তত তিন আইনপ্রণেতা তাকে সমর্থন করেছেন। তাকে সমর্থন করে অ্যাসেম্বিওম্যান ক্যাটালিনা ক্রুজ বলেন, ফেডারেল সরকার কাজ করছে না। এটা লজ্জার বিষয়। নিউইয়র্কভিত্তিক ওয়ার্ক পারমিটের ব্যাপারে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই ধারণা বাতিল করে দেওয়া যায় না। তবে কাজটি ফেডারেল সরকারের। উল্লেখ্য, ফেডারেল আইনে অভিবাসীদের ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতেই প্রায় ১৮০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। আর আবেদন-প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে লাগে আরো দুই মাস।

বিস্তারিত...

ম্যানহাটানে নির্ম‍াণ হচ্ছে ওয়াটারফ্রন্ট পার্ক

স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে প্রাইভেট ব্যবসা প্রলব্ধ করার আশায় নিউইয়র্ক বে বরাবর একটি বিশাল ওয়াটারফ্রন্ট পার্ক নির্মাণ করার জন্য বরোটিকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় ম্যানহাটানের পশ্চিম দিকের মতোই বেওন ব্রিজ থেকে ভেরেজানো-ন্যারোস ব্রিজ পর্যন্ত  দুই মাইলের ওয়াটারফ্রন্ট পার্ক নির্মাণ করা হবে। মেয়র এরিক অ্যাডামস এবং কাউন্সিলওম্যান কামিলা হ্যাঙ্কস চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটির কথা প্রকাশ করেছেন। আইনপ্রণেতারা আশা করছেন, এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নতুন প্রায় আট হাজার চাকরি সৃষ্টি হবে, হাজার হাজার হাউজিং ইউনিট নির্মাণের কাজ দ্রুত হবে। অ্যাডামস বলেন, লোকজন এখানে এসে সুন্দর ওয়াটারফ্রন্ট যখন দেখবে, তখন নির্মাতারাও বুঝতে পারবে যে এখানে ভবনের চাহিদা বাড়বে। তারা তখন নির্মাণের গতি বাড়িয়ে দেবে। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত স্ট্যাটেন আইল্যান্ড অবহেলিত বরো হয়ে রয়েছে। কেউ এর কথা মনে করে না। তবে আমি যখনই এখানে এসেছি, স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি যে তোমরা এই প্রশাসনের আমলে বিস্মৃত নও।’ জানা গেছে, নিউইয়র্ক সিটি ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লাইটহাউজ পয়েন্ট এবং স্ট্যাটেন আইল্যান্ড হাউজিং প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করবে। এছাড়া স্ট্যাপলেটনের সাবেক মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটির ৩৫ একর জমিকে ৬০০ আসনের একটি স্কুল এবং দুই হাজার মিশ্র-আয়ের বাড়ি বানানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। অবশ্য স্ট্যাটেন আইল্যান্ডকে ঘিরে যে সুন্দর ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, তার বাস্তবায়ন অনেকটাই নির্ভর করছে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের ওপর। কর্মকর্তারা অবশ্য আশা করছেন, এসব বিনিয়োগকারী তাদের হতাশ করবেন না।

বিস্তারিত...

অভিবাসী সঙ্কটে নাকানি-চুবানি খাচ্ছে নিউইয়র্ক সিটি

চালুনি বলে, ছুঁচ (সুই) তুমি কেন ছেদা (ছিদ্র)! ঢলের মতো আসা অভিবাসী সঙ্কটের ‘সমস্যা সমাধানের কোনো পরিকল্পনা’ না থাকার জন্য নিউইয়র্ক সিটিকে দায়ী করেছে বাইডেন প্রশাসন। অথচ, সীমান্ত দিয়ে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের সামাল দিতে মার্কিন নগরীগুলো সহায়তা করার কোনো পরিকল্পনা করতে পারেনি মার্কিন ফেডারেল সরকার। এক লাখের বেশি অভিবাসীকে সামাল দিতে নিউইয়র্ক সিটি যখন নাকানি-চুবানি খাচ্ছে, তখন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির মূল্যায়ন দলের একটি অপ্রকাশিত রিপোর্ট ফাঁস হয়েছে। একে সিটি হল তাদের ‘মুখে চড় দেওয়া’ বলে অভিহিত করেছে। ওই রিপোর্টে ফেডারেল তদন্তকারীরা অভিবাসী সঙ্কট থেকে বাইডেন প্রশাসনকে মুক্তি দিয়ে রাজ্য ও সিটির ওপর সব দোষ চাপিয়ে দিয়েছে। এমনকি ওই রিপোর্টে আশ্রয়প্রার্র্থী সঙ্কট থেকে মুক্তির জন্য অভিবাসীদের নিয়ে কোনো পরিকল্পনা না থাকার জন্যও নিউইয়র্ক সিটির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। সিটি হলের মুখপাত্র কায়লা মামেলাক এই জাতীয় সঙ্কটে ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে অর্থপূর্ণ সহায়তা না পাওয়ার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এটি একটি জাতীয় সমস্যা। অথচ এর দায় চাপানো হচ্ছে একটি নগরীর ওপর। তিনি নিউইয়র্ক সিটির ওপর দায় চাপানোকে অত্যন্ত হতাশাজনক কাজ হিসেবে অভিহিত করেন। গত মঙ্গলবারও হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা সঙ্কট সমাধানে তাদের প্রয়াসের কথা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। তবে তারা নতুন কোনো পরিকল্পনা দেননি। বরং, কংগ্রেসের দিকে আঙুল তুলেছেন। সিটি হল মুখপাত্র বলেন, অভিবাসী সঙ্কট সমাধানে নিউইয়র্ক সিটি অব্যাহতভাবে ফেড সরকারের সহায়তা কামনা করছে। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র অ্যাডামস এবং গভর্নর হোকুল উভয়েই এই সঙ্কটের দায়ভার গ্রহণের জন্য বাইডেন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন। অ্যাডামস এ পর্যন্তও বলেছেন যে এই সঙ্কট দ্রুত সমাধান করা না হলে নিউইয়র্ক সিটি বিধ্বস্ত হয়ে যাবে।

বিস্তারিত...

নিউইয়র্কের ভাস্কর রাশার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রিয়নন্দিনীর

ঢাকায় ফেরদৌসী প্রিয় ভাষিণীর শিল্পকর্ম নকল করে প্রদর্শনী করার অভিযোগ উঠেছে নিউইয়র্কের আখতার আহমেদ রাশা ওরফে ভাস্কর রাশার বিরুদ্ধে। প্রিয় ভাষিণীর অসুস্থতার সময় সহযোগিতা হিসেবে কৌশলে কিছু টাকা দিয়ে তার

বিস্তারিত...

ম্যানহাটানে ৩৫ মিলিয়ন ডলারের নকল গুচি, লুই ভুইটন ব্যাগ জব্দ

নিউইয়র্ক পুলিশ লোয়ার ম্যানহাটানের ফুটপাথে বিক্রির সময় নকল গুচি ও লুই ভুইটনের ব্যাগ এবং অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করেছে। এসব পণ্যের দাম প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ডলার হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশ এই বিক্রির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮ ব্যক্তিকে আটকও করেছে। জব্দ করা পণ্যের মধ্যে হ্যান্ডব্যাগ ছাড়াও রয়েছে ওয়ালেট, সানগ্লাস, ক্যাপ। এগুলো ক্যানেল স্ট্রিট এবং ব্রডওয়েতে বুধবার সন্ধ্যায় বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের পরিদর্শক উইলিয়াম গ্লান সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বলেন, কমিউনিটি এবং ব্যবসা মালিকদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি বলেন, আটক পণ্যের পরিসর বিপুল। আমরা এগুলো রাস্তা থেকে সরিয়ে নিচ্ছি।

বিস্তারিত...

যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাপনের মানে ধ্বস, সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছে মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রে টানা তৃতীয় বছরের মতো নাগরিকদের আয় কমছে। এর ফলে জীবনযাত্রার মান পড়ে যাচ্ছে। টিকে থাকতে অনেককে একাধিক চাকরি পর্যন্ত করতে হচ্ছে। আর শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো হলেও মুদ্রাস্ফীতি তাদের ওই বাড়তি আয় গিলে ফেলছে। ইউএস সেন্সাস ব্যুরোর নতুন পরিসংখ্যানে এই তথ্য পাওয়া গেছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২২ সালে মুদ্রাস্ফীতি-তাড়িত গড় পারিবারিক আয় কমে হয়েছে ৭৪,৫৮০ ডলার। এটি ২০২১ সালের গড় আয় ৭৬,৩৩০ ডলারের চেয়ে ২.৩ ভাগ কম। এর প্রভাব প্রকটভাবে পড়েছে নিউইয়র্কবাসীর ওপর। তারা বাইরে বের হচ্ছে কম, সস্তার পণ্য ক্রয় করছে, ভাড়া পরিশোধের জন্য ঋণ করছে, এমনকি বাইডেন প্রশাসনের কথিত ‘বাইডেনোমিক্স’ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কানাডায় পালিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকান শ্রমিকদের ওপর থেকে আর্থিক বোঝা লাঘব করতে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ‘বাইডেনোমিক্স’ ফলপ্রসূ না হওয়ায় ২০১৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গড় পারিবারিক আয় কমে যাচ্ছে। এই কঠিন অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে রেসেস হাইড (৩৪) দুটি চাকরি করছেন বলে জানিয়েছেন। অনেকে তো রেস্তোরাঁয় খেতে যাওয়ার আগে অস্বস্তি এড়াতে অনলাইনেই মেনু দেখে নিচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মুদ্রাস্ফীতির আলোকে হাই স্কুল ডিপ্লোমাধারীদের (যারা কলেজ ডিগ্রি নেননি) আয় ৫.৩ ভাগ কমে গেছে। আর বাড়তি ডিগ্রিধারীদের আয় কমেছে ৪.৯ ভাগ। ব্রুকলিনের সেলেন স্টিভেন্স (৬২) জানিয়েছেন, তিন বছ ধরে তার আয় বাড়েনি। তিনি এখন ভাড়া মেটাতে তাদের স্বজনদের সহায়তা কামনা করছেন। তিনি একটি ফুড ব্যাংক থেকে মুদি সামগ্রী নেবেন বলেও জানিয়েছেন। তিনি এই আর্থিক সমস্যার জন্য বাইডেন প্রশাসনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, অর্থনীতির দিকে বাইডেন তেমন নজর দিচ্ছেন না। নিউইয়র্কের আরেক বাসিন্দা ৩২ বছর বয়স্কা ইদ্রাজা মনে করছেন, তার বেস পে ২০ হাজার ডলার বেড়ে এক লাখ ৩১ হাজার ডলার হলেও তিনি এখন ‘আগের চেয়ে গরিব’ মনে করেন। কারণ, মুদ্রাস্ফীতি তার বাড়তি আয় গিলে ফেলছে। তিনি বলেন, ছয় অঙ্কের আয়ও এখন খুবই কম মনে হচ্ছে। ট্যাক্স আর ভাড়া দেওয়ার পর বলতে গেলে কিছুই থাকে না। আর পেত্রা হ্যানসন, ৫৫, জানিয়েছেন, তিন বছর ধরে তিনি তার সঞ্চয় খেয়ে টিকে আছেন। অর্থনীতিবিদেরা যতটুকু অনুমান করেছিলেন, মুদ্রাস্ফীতি তার চেয়ে বেশি হয়ে পড়েছে। গত বছরের আগস্ট থেকে এবারের আগস্টে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে ৩.৭ ভাগ। টানা তিন বছর ধরে খাবারের দাম ০.২ ভাগ বেড়েছে। আগস্টে গোশত, পোল্ট্রি, মাছ ও ডিমের দাম বেড়েছে ০.৮ ভাগ। এর ফলে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রতি ক্ষুব্ধ হচ্ছে নাগরিকেরা। হাইড তো বলেই ফেললেন,

বিস্তারিত...

নিউইয়র্কে আবার কোভিড-১৯ হানা

নিউইয়র্কে আবার কোভিড-১৯ হানা দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে করোনাভাইরাসের নতুন টিকাটি গ্রহণ করার জন্য নিউইয়র্কবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গভর্নর ক্যাথি হোকুল। গভর্নর ছয় মাস বা তার বেশি বয়সী সবাইকে শীতের আগেই নতুন টিকা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। গভর্নর জোর দিয়ে বলেন যে নতুন ধরণটির সাথে মিল রেখেই নতুন টিকা উদ্ভাবন করা হয়েছে। সিডিসি জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের নতুন যে ধরণটি ছড়িয়ে পড়ছে, তার ৯০ ভাগের বেশিই এই টিকায় প্রতিরোধযোগ্য। গভর্নর এক ব্রিফিংয়ে বলেন, অতীতে টিকা গ্রহণ করায় আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে আগের টিকায় এখন সুরক্ষা পাওয়া যাবে না। এখন নতুন করে টিকা নিতে হবে। নিজেকে এবং আশপাশের সবাইকে সুরক্ষিত করার এটাই সর্বোত্তম পন্থা। তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২০ সাল থেকে এ কাজ করছি। এখন থেমে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। আর আপনি কেবল নিজেকে নিয়ে ভাববেন না। কারণ অনেক লোক আক্রান্ত হয়েছে।’

বিস্তারিত...

কাল নিউইয়র্ক আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জাতিসংঘের ৭৮তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক আসছেন। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ বিমানে চার্টার্ড ফ্লাইটে এদিন ১০টা ৫৩ মিনিটে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী অন্য বছরের তুলনায় কম। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকতে পারেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, ডিপিএসসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। অন্যবারের মতো এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল আসছে না। তবে ব্যক্তিগত অর্থে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী আসতে পারেন।

বিস্তারিত...

© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com