রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব করার সমস্যাটির নাম নকচুরিয়া (Nocturia)। এ রোগের কারণে রোগীর মূত্রত্যাগের পরিমাণ বেড়ে যায়, এমনকি ঘুমের মধ্যে বারবার ওঠার প্রয়োজন দেখা দেয়। এ সমস্যাটি গর্ভবতী নারী ও
কিডনি সুস্থ রাখতে প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই। যে কোনো ধরনের ভেজাল খাদ্য গ্রহণ, হাই প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খেলে কিডনি ভালো থাকে। রাসায়নিক দ্রব্যের মিশ্রণ আছেÑ এমন খাবার কিডনির
শীত কিংবা গ্রীষ্ম, চায়ের কদর সবসময়ই। অনেকেই আছেন যাদের দিনের সকালটা শুরুই হয় চায়ে চুমুক দিয়ে। আবার কাজের ফাঁকে ক্লান্তি দূর করতেও চায়ের জুড়ি মেলা ভার। তবে চা পানের ক্ষেত্রে
কেবল চোখ দেখেই নির্ণয় করা যায় কোনো কোনো রোগ। চোখের সাদা অংশ লাল হলে, পানি পড়লে, প্রদাহ হলে তার নাম চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস রোগ। শীতকালে শিশু ও বড়দের এ
দেশ-বিদেশে ভেষজ-হারবালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। অন্যান্য ওষুধের মতো বর্তমানে হারবাল ওষুধও এখন রোগ প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। মানবদেহের যে কোনো জটিল ও কঠিন রোগ নির্ণয়ে সহজলভ্য হচ্ছে। কেননা এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
শীতকালে প্রায় সবারই ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়। এ সময় ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতেই হয়। তবে শুধু যত্ন নিলেই হয় না, ত্বকের সুরক্ষায় শীতে খাবারের প্রতিও আলাদা নজর দিতে হয়। এ
মৃগীরোগ একটি স্নায়বিক রোগ। এ জন্য মস্তিষ্কের অতিসংবেদনশীলতা দায়ী। কারও মধ্যে বারবার খিঁচুনির উপসর্গ দেখা দিলে তার মৃগীরোগ হয়েছে বলা যায়। এ ছাড়া মস্তিষ্কের টিউমার, রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক), মাথায় আঘাত ও
মাই নেইম ইজ শিলা, শিলা কী জোয়ানি… হিন্দি গান বাজছে। তালে তালে নাচছেন এক তরুণী। তার পড়নে হেজাব। শরীর থেকে একের পর এক বস্ত্র খুলছেন তিনি। ছুঁড়ে মারছেন আর মিষ্টি
শীতকালে অনেকেরই পায়ের তলা বা গোড়ালি ফেটে যায়। এ জন্য দায়ী শুষ্ক আবহাওয়া যে কোনো শুষ্ক আবহাওয়ায় পায়ের ত্বকে আর্দ্রতার পরিমাণ একদম কমে আসে। তখন তৈরি হয় পায়ের গোড়ালি ফেটে
মস্তিষ্কে সাধারণত দুধরনের স্ট্রোক হয়- ইস্কেমিক স্ট্রোক, যেখানে মস্তিষ্কের মধ্যকার ধমনিগুলোয় রক্ত চলাচল কম হয়। আরেকটি হলো- হেমরেজিক স্ট্রোক, যেখানে মস্তিষ্কের মধ্যকার ধমনি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হয়। বিভিন্ন কারণে স্ট্রোক হয়।