ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ডায়েট গুরুত্বপূর্ণ। তবে কিটো ডায়েট তাদের জন্য ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যায়ের কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এসএম মোস্তফা জামান বলেন,
দোকানে ঢুকে অর্থকড়ি লুট করছিলেন এক ডাকাত। এরই মধ্যে হঠাৎ দোকানের ব্যবস্থাপকের কাছে চিকেন নাগেট খেতে চান তিনি। কিন্তু ওই সময় চিকেন নাগেট ছিল না। শেষমেশ ম্যাকমাফিনের বিনিময়ে দফারফা করতে
গ্রীষ্মে ডিহাইড্রেশনের ভয় রয়েছে। তবে আপনার খাদ্যাভাসে কয়েকটি খাবার যুক্ত করলে সেটি ভয় দূর করে আপনার ডায়েটকে করবে স্বস্তিদায়ক। তাহলে দেখে নিন এই গ্রীষ্মকালে আপনার খাবারে কী কী অন্তর্ভুক্ত করবেন-
পেঁপে-কলার স্মুদি ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। উভয়েই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে ও শরীর সুস্থ রাখে। হজমশক্তি বাড়ায় আর শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টিও মেটায়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন সি
গ্রীষ্মকালে রোজা। তার ওপর করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। এ সময় সুস্থ থাকার জন্য চাই স্বাস্থ্যকর ইফতারি। রেসিপি দিয়েছেন নাজিয়া ফারহানা চিজি স্টাফ পরটা উপকরণ : ২৫০ গ্রাম পনির কুচি, এক কাপ ময়দা,
মাহে রমজান আমাদের দুয়ারে কড়া নাড়ছে। মুসলমান নর-নারীর জন্য রমজানের সিয়াম সাধনা অবশ্য পালনীয় ইবাদত কর্ম। অবশ্য যারা অসুস্থ, তাদের জন্য স্রষ্টার পক্ষ থেকে ছাড় রয়েছে। যারা ডায়াবেটিসের মতো রোগে
অনেকে গাড়িতে কিংবা বাসে উঠলেই বমি করা শুরু করেন বা বমি বমি ভাব আসে। তার সঙ্গে শুরু হয়ে যায় মোশন সিকনেস, মাথা ঘোরা। ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। কিন্তু এই
সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পরে রাতে আমারা অনেকেই ভীষণ মানসিক চাপ নিয়ে ঘুমাতে যাই। যেটি আমাদের শরীর ও মন দুটোর জন্যই খারাপ। অথচ সামান্য একটু সময় ব্যয় করলেই আমরা সতেজ হয়ে ঘুমাতে
দেশে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর কিউলেক্স মশার সংখ্যা চারগুণ বেড়েছে। একইসাথে বেড়েছে মশাবাহিত রোগবালাই। বেড়েছে মানুষের ভোগান্তিও। স্বাভাবিকভাবেই মশার কামড় থেকে রক্ষায় নানা ধরনের রিপেলেন্ট বা মশা বিতাড়নের উপকরণ
আমরা প্রতিদিন কত ধরনের খাবার খাই। কিন্তু এসব খাবারের মধ্যে সবই কি মানবদেহের জন্য উপকারী? মোটেও নয়। কিছু খাবার আছে, যা মানবদেহের জন্য প্রচ- ক্ষতিকর। তাই খাবারের তালিকা থেকে এগুলো